মিয়ানমার

মিয়ানমারে দূতাবাস ও কনস্যুলেট

ইয়াঙ্গুনে দূতাবাস

৪১টি দেশের মোট ৪৭টি মিশন মিয়ানমারে কাজ করছে (৩৯টি দূতাবাস, ৭টি কনস্যুলেট ও একটি অনারারি কনস্যুলেট)। সব ৩৯টি দূতাবাস ইয়াঙ্গুনে, যদিও রাজধানী Nay Pyi Taw। এ ছাড়া মান্দালে ও সিত্তওয়ে শহরে কনস্যুলেট আছে।

এশিয়া

মিয়ানমার

Myanmar

রাজধানী
Nay Pyi Taw
জনসংখ্যা
৫,৪৮,৫০,৬৪৮
মুদ্রা
মায়ানমার কিয়াত (MMK)
আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড
+95
ভাষা
বর্মি
  • ৪৭মিশন
  • ৩৯দূতাবাস
  • ৭কনস্যুলেট
  • ১অনারারি কনস্যুলেট
ভিসা লাগে না: ১৩টি গন্তব্যবিশ্বে ১৮১তম

মানচিত্র

মিয়ানমারে সব মিশন

মিয়ানমারের অন্য শহর

ইয়াঙ্গুনের বাইরে মান্দালে (৩) ও সিত্তওয়ে (৩) শহরেও মিশন আছে, যেগুলোর বেশির ভাগ কনস্যুলেট জেনারেল, কনস্যুলেট ও অনারারি কনস্যুলেট।

নথিভুক্ত যোগাযোগের তথ্য

  1. ভারত ৩
  2. বাংলাদেশ ২
  3. চীন ২
  4. ইন্দোনেশিয়া ২
  5. যুক্তরাষ্ট্র ২
সব দেখুন (৪১)

মিয়ানমারে ৪৭টি মিশনের মধ্যে ৩১টির ফোন নম্বর ও ১৫টির খোলার সময় আমাদের কাছে আছে।

মিয়ানমারের ভিসার নিয়ম

বিশ্বের পাসপোর্টধারীরা কীভাবে মিয়ানমারে প্রবেশ করেনমোট ১৯৮

  • ভিসা লাগে না১০
  • অন-অ্যারাইভাল ভিসা৬
  • ই-ভিসা৮৭
  • আগে থেকে ভিসা লাগে৯৫

ভিসার নিয়ম

মিয়ানমারে যেতে ভিসা তথ্যে থাকা ১৯৮টি পাসপোর্টের মধ্যে ১০টির ভিসা লাগে না, ৬টির ক্ষেত্রে পৌঁছে ভিসা মেলে, ৮৭টির ই-ভিসা নিতে হয় ও ৯৫টির দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে ভিসা নিতে হয়।

মিয়ানমারের পাসপোর্টে ৪২টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়, আর ১০০টি দেশের জন্য আগে ভিসা নিতে হয়। ১৯৯টি পাসপোর্টের মধ্যে এটি ১৮১তম অবস্থানে।

ভিসার পরিসংখ্যান

মিয়ানমারে শেনজেন ভিসার আবেদন

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৭,০১২৫,৬৭৫১,১৬৯১৭.১% ৫৫.২%
২০২৪ ৭,০২৪৫,৭৬১১,২০৬১৭.৩% ৫৮.৫%
২০২৫ ৭,৩৯৩৬,০৭৯১,২৬৩১৭.১% ৫৮.৮%

শেনজেন দেশ অনুযায়ী, ২০২৫

দেশআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যানের হার
জার্মানি ২,৫২২১,৯৪৬২২.৩%
ফ্রান্স ১,৬৭৬১,৫২৭৮.১%
নেদারল্যান্ডস ১,৬৩৪১,২১৮২৪.৩%
ইতালি ১,৫৬১১,৩৮৮১১.১%

২০২৫ সালে মিয়ানমারের শেনজেন কনস্যুলেটগুলো স্বল্পমেয়াদি ভিসার ৭,৩৯৩টি আবেদন পেয়েছে, এবং ৬,০৭৯টি ভিসা দিয়েছে। ১৭.১% আবেদনে ভিসা মেলেনি (সারা বিশ্বে ১৪.৬%)। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ১৭.৩%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৫% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৭,০২৪টি আবেদন)।

সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে: জার্মানি (২,৫২২), ফ্রান্স (১,৬৭৬), নেদারল্যান্ডস (১,৬৩৪) ও ইতালি (১,৫৬১)।

অন্তত ৫০০টি আবেদন পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম প্রত্যাখ্যানের হার ফ্রান্সের (৮.১%), সবচেয়ে বেশি নেদারল্যান্ডসের (২৪.৩%)। ২০২৪ সালের পর হার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে (+১১.০ পয়েন্ট) আর সবচেয়ে বেশি কমেছে ইতালির কনস্যুলেটে (−১৪.১ পয়েন্ট)।

এই পরিসংখ্যানে মিয়ানমারে আবেদনকারী সব জাতীয়তার মানুষ আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

মিয়ানমারের নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা

মঞ্জুর করা ভিসাঅর্থবছর ২০২৪অর্থবছর ২০২৫
ভ্রমণ ও ব্যবসা (B)৪,৩১১২,৪০৮
শিক্ষার্থী (F, M)৩,৭৯৯১,৭২০
এক্সচেঞ্জ (J)২৫৭৮০
চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি)১২৬৫৫
ট্রানজিট ও ক্রু (C, D)৪,৯১৫৩,৩৮০
কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G)১৩৫১৬২
বাগদত্ত (K)৩৩১৩৩৪
মোট১৩,৮৭৪৮,১৩৯
B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার৬২.৬%৬৪.২%

অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের নাগরিকদের ৮,১৩৯টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ৯১তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ট্রানজিট ও ক্রু ভিসা (C ও D), ৪২%; এরপর ভ্রমণ ও ব্যবসা (৩০%) ও শিক্ষার্থী (২১%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (১৩,৮৭৪) চেয়ে ৪১% কম।

অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মিয়ানমারের নাগরিকদের ৫৮টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯৯% কম।

ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ মিয়ানমারের নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৬৪.২% (অর্থবছর ২০২৪: ৬২.৬%)।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

বিদেশে মিয়ানমারের মিশন

বিদেশে মিয়ানমারের দূতাবাস (৪১)

মিয়ানমারের নিজের ৩৪টি দেশে ৪১টি মিশন আছে। সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক চীন (৩), ভারত (৩), জার্মানি (২), থাইল্যান্ড (২) ও যুক্তরাষ্ট্র (২) দেশে।

জেনে রাখুন

এক নজরে মিয়ানমার

মিয়ানমারের রাজধানী Nay Pyi Taw। মিয়ানমারে প্রায় ৫.৫ কোটি মানুষের বাস, দেশটির আয়তন ৬,৭৮,৫০০ বর্গকিলোমিটার। প্রধান ভাষা বর্মি। মুদ্রা মায়ানমার কিয়াত (MMK), আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড +95।

দূতাবাসগুলো কোথায়

সব ৩৯টি দূতাবাস ইয়াঙ্গুনে, যদিও রাজধানী Nay Pyi Taw। মিয়ানমারে সবচেয়ে বড় মিশন-নেটওয়ার্ক ভারতের, ৩টি মিশন; এরপর বাংলাদেশ (২), চীন (২), ইন্দোনেশিয়া (২) ও যুক্তরাষ্ট্র (২)।

মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ

মিয়ানমার ভ্রমণ নিয়ে বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

মিয়ানমারে দূতাবাসগুলো কোথায়?

সব ৩৯টি দূতাবাস ইয়াঙ্গুনে, যদিও রাজধানী Nay Pyi Taw। এ ছাড়া মান্দালে ও সিত্তওয়ে শহরে কনস্যুলেট আছে।

মিয়ানমারে কয়টি দূতাবাস আছে?

মিয়ানমারে ৩৯টি দূতাবাস আছে। কনস্যুলেট, অনারারি কনস্যুলেট ও অন্যান্য অফিস মিলিয়ে মিয়ানমারে মোট ৪৭টি মিশন আছে।

মিয়ানমারে কোন দেশের সবচেয়ে বেশি মিশন আছে?

ভারতের, ৩টি মিশন; এরপর বাংলাদেশ (২)।

মিয়ানমারে যেতে কি ভিসা লাগে?

তা আপনার পাসপোর্টের ওপর নির্ভর করে। মিয়ানমারে যেতে ১৯৮টি পাসপোর্টের মধ্যে ১০টির ভিসা লাগে না, ৬টির ক্ষেত্রে পৌঁছে ভিসা মেলে, ৮৭টির ই-ভিসা নিতে হয় ও ৯৫টির দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে ভিসা নিতে হয়।