তাইওয়ান
পোল্যান্ড
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীদের জন্য পোল্যান্ডের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই পোল্যান্ডে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
পোল্যান্ড: তাইওয়ানে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৪৩ | ৩৯ | ৪ | ৯.৩% | ১৭.৯% |
| ২০২৪ | ৩৯ | ৩৭ | ২ | ৫.১% | ৮.১% |
| ২০২৫ | ৫২ | ৫১ | ০ | ০.০% | ১১.৮% |
২০২৫ সালে তাইওয়ানে পোল্যান্ডের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (তাইপে) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫২টি আবেদন পেয়েছে এবং ৫১টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ০.০%। ২০২৪ সালের ৫.১%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৫.১ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৩৩% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৩৯টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে তাইওয়ানে জমা পড়া আবেদনের ৬.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটগুলো ১৫.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। তাইওয়ানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে পোল্যান্ড অষ্টম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে তাইওয়ানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
পোল্যান্ডের নাগরিকদের তাইওয়ান ভ্রমণ
পোল্যান্ড
তাইওয়ান ভিসা লাগে না, ৯০ দিন পোল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য তাইওয়ানের ভিসা
পোল্যান্ড ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
তাইওয়ান থেকে পোল্যান্ডে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পোল্যান্ডকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৪ জুন, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পোল্যান্ডের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পোল্যান্ডের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীরা পোল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীরা পোল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। পোল্যান্ডে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
পোল্যান্ড ও শেনজেন অঞ্চল
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীদের ভিসা ছাড়া পোল্যান্ড ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীদের জন্য পোল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ
জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র যেতে তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীদের ভিসা লাগে না। বেলারুশ যেতে তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীদের আগে ভিসা নিতে হয়।
পোল্যান্ডের নাগরিকদের তাইওয়ান ভ্রমণ
পোল্যান্ডের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই তাইওয়ানে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। তাইওয়ান ও পোল্যান্ডের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
পোল্যান্ডে যেতে তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীদের কি ভিসা লাগে?
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়াই পোল্যান্ডে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীরা পোল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন?
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীরা পোল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
তাইওয়ানে যেতে পোল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
পোল্যান্ডের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই তাইওয়ানে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীরা কি ভিসা ছাড়া পোল্যান্ডে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীরা ভিসা ছাড়া পোল্যান্ডে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।