সিঙ্গাপুর
ফ্রান্স
সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ফ্রান্সে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · sg.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
ফ্রান্স: সিঙ্গাপুরে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৯,৮৮৫ | ৯,১২৫ | ৬১২ | ৬.৩% | ৪০.৪% |
| ২০২৪ | ৯,৪৫০ | ৮,৪২১ | ৮৪৭ | ৯.১% | ৩৩.৮% |
| ২০২৫ | ৯,৩১৬ | ৮,৫১২ | ৭৩৯ | ৮.০% | ৩৫.১% |
২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (সিঙ্গাপুর) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৯,৩১৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ৮,৫১২টি ভিসা দিয়েছে। ৮.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৯.১%। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ৯,৪৫০টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে সিঙ্গাপুরে জমা পড়া আবেদনের ৫.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল বেলজিয়ামের কনস্যুলেটে ০.৪% থেকে নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ১০.৩% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। সিঙ্গাপুরে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে সিঙ্গাপুরে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ফ্রান্সের নাগরিকদের সিঙ্গাপুর ভ্রমণ
ফ্রান্স
সিঙ্গাপুর ভিসা লাগে না, ৯০ দিন ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য সিঙ্গাপুরের ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
সিঙ্গাপুর থেকে ফ্রান্সে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩ নভেম্বর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা ফ্রান্সে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। ফ্রান্সে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের ভিসা ছাড়া ফ্রান্স ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
ফ্রান্সের নাগরিকদের সিঙ্গাপুর ভ্রমণ
সিঙ্গাপুরে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়। সিঙ্গাপুর ও ফ্রান্সের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্সে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন?
সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা ফ্রান্সে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
সিঙ্গাপুরে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
সিঙ্গাপুরে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।
সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, সিঙ্গাপুরের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।