চীনএস্তোনিয়া

চীনের নাগরিকদের জন্য এস্তোনিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

এস্তোনিয়ায় যাওয়ার আগে চীনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

চীনে ভিসার আবেদন কোথায় করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী চীনে এস্তোনিয়ার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে এস্তোনিয়ার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

এস্তোনিয়া: চীনে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৬০৩৫৪৬৪৪৭.৫% ৪৬.০%
২০২৪ ৮৫৭৮০৪৫০৫.৯% ১৮.৯%
২০২৫ ৭১৬৬১৭৯৯১৩.৮% ২২.৯%

২০২৫ সালে চীনে এস্তোনিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (বেইজিং) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৭১৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ৬১৭টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১৩.৮%। ২০২৪ সালের ৫.৯%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৮.০ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৬% কমেছে (২০২৪ সালে ৮৫৭টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে চীনে জমা পড়া আবেদনের ৪.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল লাক্সেমবার্গের কনস্যুলেটে ১.৩% থেকে মাল্টার কনস্যুলেটে ১৯.৩% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে এস্তোনিয়ার কনস্যুলেটগুলো ২৪.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে এস্তোনিয়া ২৬তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে চীনে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

এস্তোনিয়ার নাগরিকদের চীন ভ্রমণ

এস্তোনিয়াচীন ভিসা লাগে না, ৩০ দিন এস্তোনিয়ার নাগরিকদের জন্য চীনের ভিসা

এস্তোনিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

এস্তোনিয়ায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন চীনের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এস্তোনিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩০ মার্চ, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) এস্তোনিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এস্তোনিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

চীনের নাগরিকরা এস্তোনিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

এস্তোনিয়ায় চীনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

চীনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

চীনে এস্তোনিয়ার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই চীনের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে এস্তোনিয়ার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে চীন পড়ে, অথবা সেই শেনজেন দেশের মাধ্যমে, যে এস্তোনিয়ার পক্ষে ভিসার আবেদন নেয়; সঠিক জায়গা জানা যাবে এস্তোনিয়ার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

এস্তোনিয়া ও শেনজেন অঞ্চল

এস্তোনিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় চীনের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; এস্তোনিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন এস্তোনিয়ার কাছেই করতে হয়।

চীনের নাগরিকদের জন্য এস্তোনিয়ার প্রতিবেশী দেশ

রাশিয়া যেতে চীনের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। লাটভিয়া যেতে চীনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

এস্তোনিয়ার নাগরিকদের চীন ভ্রমণ

চীনে যেতে এস্তোনিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৩০ দিনের বেশি না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

এস্তোনিয়ায় যেতে চীনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

এস্তোনিয়ায় যাওয়ার আগে চীনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

চীনে কি এস্তোনিয়ার দূতাবাস আছে?

না। চীনে এস্তোনিয়ার কোনো দূতাবাস নেই।

চীনে যেতে এস্তোনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

চীনে যেতে এস্তোনিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৩০ দিনের বেশি না হয়।

চীনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া এস্তোনিয়ায় যেতে পারেন?

না। চীনের নাগরিকদের আগে থেকে এস্তোনিয়ার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।