জিম্বাবোয়ে
ইতালি
জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের জন্য ইতালির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ইতালিতে যাওয়ার আগে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · ambharare.esteri.it-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
জিম্বাবোয়েতে ইতালির মিশন
- ইতালি প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, হারারে
Bartholomew Close 7, Harare
জিম্বাবোয়েতে ইতালির একটি মিশন আছে; দূতাবাস হারারেতে।
ইতালি: জিম্বাবোয়েতে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১,০৪৬ | ১,০৩৫ | ১০ | ১.০% | ৭০.৪% |
| ২০২৪ | ১,২৪৪ | ১,২১৯ | ২১ | ১.৭% | ৬০.২% |
| ২০২৫ | ১,৭৩৫ | ১,৭০২ | ৩৩ | ১.৯% | ৫৫.৪% |
২০২৫ সালে জিম্বাবোয়েতে ইতালির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (হারারে) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৭৩৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৭০২টি ভিসা দিয়েছে। ১.৯% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ১.৭%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৩৯% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১,২৪৪টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে জিম্বাবোয়েতে জমা পড়া আবেদনের ১৫.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে ইতালির কনস্যুলেটগুলো ১০.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। জিম্বাবোয়েতে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ইতালি তৃতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে জিম্বাবোয়েতে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ইতালির নাগরিকদের জিম্বাবোয়ে ভ্রমণ
ইতালি
জিম্বাবোয়ে অন-অ্যারাইভাল ভিসা ইতালির নাগরিকদের জন্য জিম্বাবোয়ের ভিসা
ইতালি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
জিম্বাবোয়ে থেকে ইতালিতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতালিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইতালির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতালির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা ইতালিতে কত দিন থাকতে পারেন
ইতালিতে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
জিম্বাবোয়েতে আবেদন করা যায় হারারেতে ইতালির দূতাবাসে, অথবা ইতালির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ইতালি।
ইতালি ও শেনজেন অঞ্চল
ইতালির দেওয়া শেনজেন ভিসায় জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ইতালি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ইতালির কাছেই করতে হয়।
জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের জন্য ইতালির প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান, স্লোভেনিয়া, সান মারিনো, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ইতালির নাগরিকদের জিম্বাবোয়ে ভ্রমণ
ইতালির নাগরিকরা জিম্বাবোয়েতে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ইতালিতে যেতে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইতালিতে যাওয়ার আগে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
জিম্বাবোয়েতে ইতালির দূতাবাস কোথায়?
ইতালির দূতাবাস হারারেতে।
জিম্বাবোয়েতে যেতে ইতালির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইতালির নাগরিকরা জিম্বাবোয়েতে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন?
না। জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের আগে থেকে ইতালির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।