ভিয়েতনাম
গ্রিস
ভিয়েতনামের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
গ্রিসে যাওয়ার আগে ভিয়েতনামের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
ভিয়েতনামে গ্রিসের মিশন
ভিয়েতনামে গ্রিসের একটি মিশন আছে; দূতাবাস হ্যানয়ে।
গ্রিস: ভিয়েতনামে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১,৩৩৫ | ১,২৩৫ | ৮০ | ৬.১% | ২৯.২% |
| ২০২৪ | ১,৪২৩ | ১,৩২১ | ৭৯ | ৫.৬% | ২৫.৮% |
| ২০২৫ | ১,৫৯২ | ১,৪৯৫ | ৭৪ | ৪.৭% | ১৫.১% |
২০২৫ সালে ভিয়েতনামে গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (হ্যানয়) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৫৯২টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৪৯৫টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৪.৭%। হারটি ২০২৪ সালের (৫.৬%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১২% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১,৪২৩টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ভিয়েতনামে জমা পড়া আবেদনের ৯.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল পোল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৩.৬% থেকে ফিনল্যান্ডের কনস্যুলেটে ২০.৮% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ভিয়েতনামে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস ১২তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ভিয়েতনামে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
গ্রিসের নাগরিকদের ভিয়েতনাম ভ্রমণ
গ্রিস
ভিয়েতনাম ই-ভিসা গ্রিসের নাগরিকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা
গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ভিয়েতনাম থেকে গ্রিসে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
ভিয়েতনামের নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন
গ্রিসে ভিয়েতনামের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ভিয়েতনামের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
ভিয়েতনামে আবেদন করা যায় হ্যানয়ে গ্রিসের দূতাবাসে, অথবা গ্রিসের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে গ্রিস।
গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল
গ্রিসের দেওয়া শেনজেন ভিসায় ভিয়েতনামের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; গ্রিস যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন গ্রিসের কাছেই করতে হয়।
ভিয়েতনামের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ
উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, তুরস্ক ও বুলগেরিয়া যেতে ভিয়েতনামের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
গ্রিসের নাগরিকদের ভিয়েতনাম ভ্রমণ
ভিয়েতনামে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
গ্রিসে যেতে ভিয়েতনামের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
গ্রিসে যাওয়ার আগে ভিয়েতনামের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
ভিয়েতনামে গ্রিসের দূতাবাস কোথায়?
গ্রিসের দূতাবাস হ্যানয়ে।
ভিয়েতনামে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ভিয়েতনামে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
ভিয়েতনামের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?
না। ভিয়েতনামের নাগরিকদের আগে থেকে গ্রিসের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।