ইউক্রেন
পোল্যান্ড
ইউক্রেনের নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ইউক্রেনের নাগরিকদের পোল্যান্ডের ভিসা লাগে না।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · msz.gov.pl-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
পোল্যান্ড: ইউক্রেনে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১,০৭৭ | ১,০০৪ | ৭৩ | ৬.৭% | ৪৩.৯% |
| ২০২৪ | ১,২৮৮ | ৯২৮ | ৩৫৭ | ২৭.৪% | ৪৩.১% |
| ২০২৫ | ১,০৯২ | ৯৯০ | ১০১ | ৯.০% | ৪৮.৫% |
২০২৫ সালে ইউক্রেনে পোল্যান্ডের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (লভিভ ও লুৎস্ক) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,০৯২টি আবেদন পেয়েছে এবং ৯৯০টি ভিসা দিয়েছে। ৯.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ২৭.৪%, অর্থাৎ এটি ১৮.৪ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৫% কমেছে (২০২৪ সালে ১,২৮৮টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ইউক্রেনে জমা পড়া আবেদনের ১০.৭% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ৫.২% থেকে ফ্রান্সের কনস্যুলেটে ২৩.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটগুলো ১৫.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ইউক্রেনে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে পোল্যান্ড তৃতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ইউক্রেনে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
পোল্যান্ডের নাগরিকদের ইউক্রেন ভ্রমণ
পোল্যান্ড
ইউক্রেন ভিসা লাগে না, ৯০ দিন পোল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য ইউক্রেনের ভিসা
পোল্যান্ড ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ইউক্রেন থেকে পোল্যান্ডে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পোল্যান্ডকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৪ জুন, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পোল্যান্ডের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পোল্যান্ডের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
ইউক্রেনের নাগরিকরা পোল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন
ইউক্রেনের নাগরিকরা পোল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। পোল্যান্ডে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
পোল্যান্ড ও শেনজেন অঞ্চল
ইউক্রেনের নাগরিকদের ভিসা ছাড়া পোল্যান্ড ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
ইউক্রেনের নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ
জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, বেলারুশ ও রাশিয়া যেতে ইউক্রেনের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
পোল্যান্ডের নাগরিকদের ইউক্রেন ভ্রমণ
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য পোল্যান্ডের নাগরিকদের ইউক্রেনের ভিসা লাগে না। ইউক্রেন ও পোল্যান্ডের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
পোল্যান্ডে যেতে ইউক্রেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ইউক্রেনের নাগরিকদের পোল্যান্ডের ভিসা লাগে না।
ইউক্রেনের নাগরিকরা পোল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন?
ইউক্রেনের নাগরিকরা পোল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
ইউক্রেনে যেতে পোল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য পোল্যান্ডের নাগরিকদের ইউক্রেনের ভিসা লাগে না।
ইউক্রেনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া পোল্যান্ডে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, ইউক্রেনের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া পোল্যান্ডে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।