থাইল্যান্ডগ্রিস

থাইল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

গ্রিস ভ্রমণে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

থাইল্যান্ডে গ্রিসের মিশন

থাইল্যান্ডে গ্রিসের একটি মিশন আছে; দূতাবাস ব্যাংককে।

গ্রিস: থাইল্যান্ডে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৯০৩১,৮০৩৮৫৪.৫% ২৯.৫%
২০২৪ ১,৮২৪১,৭৩৩৮৮৪.৮% ২৫.৬%
২০২৫ ১,৮৮১১,৭৮২৯৭৫.২% ২১.৪%

২০২৫ সালে থাইল্যান্ডে গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ব্যাংকক) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৮৮১টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৭৮২টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৫.২%। হারটি ২০২৪ সালের (৪.৮%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৩% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১,৮২৪টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে থাইল্যান্ডে জমা পড়া আবেদনের ৫.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ২.০% থেকে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটে ২৮.৭% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। থাইল্যান্ডে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস ১৬তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে থাইল্যান্ডে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

গ্রিসের নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণ

গ্রিসথাইল্যান্ড ভিসা লাগে না, ৬০ দিন গ্রিসের নাগরিকদের জন্য থাইল্যান্ডের ভিসা

গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

থাইল্যান্ড থেকে গ্রিসে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন

গ্রিসে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

থাইল্যান্ডে আবেদন করা যায় ব্যাংককে গ্রিসের দূতাবাসে, অথবা গ্রিসের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে গ্রিস।

গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল

গ্রিসের দেওয়া শেনজেন ভিসায় থাইল্যান্ডের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; গ্রিস যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন গ্রিসের কাছেই করতে হয়।

থাইল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ

আলবেনিয়া ও তুরস্ক যেতে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ও বুলগেরিয়া যেতে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

গ্রিসের নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণ

থাইল্যান্ডে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৬০ দিনের বেশি না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্রিসে যেতে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গ্রিস ভ্রমণে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

থাইল্যান্ডে গ্রিসের দূতাবাস কোথায়?

গ্রিসের দূতাবাস ব্যাংককে।

থাইল্যান্ডে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

থাইল্যান্ডে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৬০ দিনের বেশি না হয়।

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?

না। থাইল্যান্ডের নাগরিকদের আগে থেকে গ্রিসের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।