দক্ষিণ কোরিয়া
সুইডেন
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য সুইডেনের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
সুইডেনে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · swedenabroad.se-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
সুইডেন: দক্ষিণ কোরিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ২২৭ | ২০৮ | ৭ | ৩.৩% | ১০.৬% |
| ২০২৪ | ৩৯ | ৪৬ | ৫ | ৯.৮% | ২৩.৯% |
২০২৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় সুইডেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (সিউল) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ৪৬টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৯.৮%। ২০২৩ সালের ৩.৩%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৬.৫ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৩ সালের তুলনায় আবেদন ৮৩% কমেছে (২০২৩ সালে ২২৭টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে দক্ষিণ কোরিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১১.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ইতালির কনস্যুলেটে ৩.১% থেকে ফ্রান্সের কনস্যুলেটে ১২.৮% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে সুইডেনের কনস্যুলেটগুলো ২৪.৪% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে সুইডেন ১৫তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে দক্ষিণ কোরিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৪ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
সুইডেনের নাগরিকদের দক্ষিণ কোরিয়া ভ্রমণ
সুইডেন
দক্ষিণ কোরিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন সুইডেনের নাগরিকদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা
সুইডেন ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সুইডেনে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সুইডেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) সুইডেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুইডেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা সুইডেনে কত দিন থাকতে পারেন
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা সুইডেনে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। সুইডেনে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
সুইডেন ও শেনজেন অঞ্চল
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া সুইডেন ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য সুইডেনের প্রতিবেশী দেশ
নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড যেতে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
সুইডেনের নাগরিকদের দক্ষিণ কোরিয়া ভ্রমণ
দক্ষিণ কোরিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে সুইডেনের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না। দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইডেনের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
সুইডেনে যেতে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
সুইডেনে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা সুইডেনে কত দিন থাকতে পারেন?
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা সুইডেনে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে সুইডেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
দক্ষিণ কোরিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে সুইডেনের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া সুইডেনে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া সুইডেনে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।