সার্বিয়া
ফ্রান্স
সার্বিয়ার নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
সার্বিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ফ্রান্সে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · rs.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
ফ্রান্স: সার্বিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১,৩৭৪ | ১,২৪১ | ১০৭ | ৭.৯% | ৬.৪% |
| ২০২৪ | ১,৫৭৪ | ১,৪৫৯ | ১১৪ | ৭.২% | ৮.৭% |
| ২০২৫ | ১,০৯১ | ১,০৪১ | ৬৬ | ৫.৯% | ৮.৮% |
২০২৫ সালে সার্বিয়ায় ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (বেলগ্রেড) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,০৯১টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,০৪১টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৫.৯%। হারটি ২০২৪ সালের (৭.২%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৩১% কমেছে (২০২৪ সালে ১,৫৭৪টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে সার্বিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ৫.৭% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল গ্রিসের কনস্যুলেটে ১.১% থেকে ক্রোয়েশিয়ার কনস্যুলেটে ১৬.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। সার্বিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স নবম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে সার্বিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ফ্রান্সের নাগরিকদের সার্বিয়া ভ্রমণ
ফ্রান্স
সার্বিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য সার্বিয়ার ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
সার্বিয়া থেকে ফ্রান্সে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
সার্বিয়ার নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
সার্বিয়ার নাগরিকরা ফ্রান্সে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। ফ্রান্সে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
সার্বিয়ার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া ফ্রান্স ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
সার্বিয়ার নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে সার্বিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
ফ্রান্সের নাগরিকদের সার্বিয়া ভ্রমণ
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ফ্রান্সের নাগরিকদের সার্বিয়ার ভিসা লাগে না। সার্বিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে সার্বিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
সার্বিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ফ্রান্সে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
সার্বিয়ার নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন?
সার্বিয়ার নাগরিকরা ফ্রান্সে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
সার্বিয়ায় যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ফ্রান্সের নাগরিকদের সার্বিয়ার ভিসা লাগে না।
সার্বিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, সার্বিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।