কঙ্গো প্রজাতন্ত্র
মিয়ানমার
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমার ভ্রমণে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, প্রিটোরিয়া২,৭৬২ km
Julius Jeppe Street 329, Pretoria
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব৪,৫৩৪ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স৪,৭৭২ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
দূরত্বের হিসাবে ব্রাজাভিল থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো প্রিটোরিয়া (দক্ষিণ আফ্রিকা, ২,৭৬২ কিলোমিটার), তেল আবিব (ইসরায়েল, ৪,৫৩৪ কিলোমিটার) ও এথেন্স (গ্রিস, ৪,৭৭২ কিলোমিটার) শহরে। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণ
মিয়ানমার
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে কঙ্গো প্রজাতন্ত্র পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন, লাওস ও ভারত যেতে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণ
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে। কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায়, ব্রাজাভিল থেকে ২,৭৬২ কিলোমিটার দূরে।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।