মিয়ানমার
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মিয়ানমারের নাগরিকরা কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, তেল আবিব৬,২০৪ km
גלגלי הפלדה 6, Tel Aviv
-
৬,২৫১ km
- কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, আঙ্কারা৬,৩৬১ km
Reşit Galip Caddesi 98, 06680 Ankara
দূরত্বের হিসাবে Nay Pyi Taw থেকে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো তেল আবিব (ইসরায়েল, ৬,২০৪ কিলোমিটার), মস্কো (রাশিয়া, ৬,২৫১ কিলোমিটার) ও আঙ্কারা (তুরস্ক, ৬,৩৬১ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমার থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে কঙ্গো প্রজাতন্ত্র; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র
মিয়ানমার আগে থেকে ভিসা লাগে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণের পরামর্শ
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২৭ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
মিয়ানমারের নাগরিকরা কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে কত দিন থাকতে পারেন
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মিয়ানমারে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের প্রতিবেশী দেশ
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ও অ্যাঙ্গোলা যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
মিয়ানমার ভ্রমণে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক। মিয়ানমার ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিয়ানমারে কি কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস আছে?
না। মিয়ানমারে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কোনো দূতাবাস নেই। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিবে, Nay Pyi Taw থেকে ৬,২০৪ কিলোমিটার দূরে।
মিয়ানমারে যেতে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে পারেন?
না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।