কাতারযুক্তরাষ্ট্র

কাতারের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) সর্বোচ্চ ৯০ দিন

যুক্তরাষ্ট্রে যেতে কাতারের নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · qa.usembassy.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

কাতারে ভিসার আবেদন কোথায় করবেন

কাতারের নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা

মঞ্জুর করা ভিসাঅর্থবছর ২০২৪অর্থবছর ২০২৫
ভ্রমণ ও ব্যবসা (B)৬,২১৯১,৮৯৮
শিক্ষার্থী (F, M)২২২১৫২
এক্সচেঞ্জ (J)৩৮২৪
চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি)১৯৪
ট্রানজিট ও ক্রু (C, D)৩৭২০
কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G)১,৪৩৪১,২৫১
বাগদত্ত (K)১০
মোট৭,৯৭০৩,৩৪৯
B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার৪.৭%৯.৭%

অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র কাতারের নাগরিকদের ৩,৩৪৯টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ১১৯তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৫৭%; এরপর কূটনৈতিক ও সরকারি (৩৭%) ও শিক্ষার্থী (৫%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (৭,৯৭০) চেয়ে ৫৮% কম।

অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত কাতারের নাগরিকদের ৯৪৫টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৩% কম।

ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ কাতারের নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৯.৭% (অর্থবছর ২০২৪: ৪.৭%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।

এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে কাতারের নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু কাতারে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কাতার ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রকাতার অন-অ্যারাইভাল ভিসা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য কাতারের ভিসা

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ

  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

কাতার থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

কাতারের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন

কাতারের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। অনুমোদিত অবস্থানের মেয়াদ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় নির্ধারিত হয়।

কাতারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

কাতারের নাগরিকরা যাত্রার আগে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ETA-র জন্য অনলাইনে আবেদন করেন; ETA যে পাসপোর্টে ভ্রমণ করবেন, সেটির সঙ্গেই যুক্ত থাকে।

কাতারের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ

মেক্সিকো যেতে কাতারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কাতার ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা কাতারে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

যুক্তরাষ্ট্রে যেতে কাতারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাষ্ট্রে যেতে কাতারের নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

কাতারের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন?

কাতারের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, ETA নিয়ে।

কাতারে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা কাতারে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

কাতারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?

না। কাতারের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ETA নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।