ফিলিপাইনডেনমার্ক

ফিলিপাইনের নাগরিকদের জন্য ডেনমার্কের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

ডেনমার্ক ভ্রমণে ফিলিপাইনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · filippinerne.um.dk-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

ফিলিপাইনে ডেনমার্কের মিশন

ফিলিপাইনে ডেনমার্কের একটি মিশন আছে; দূতাবাস ম্যানিলায়।

ডেনমার্ক: ফিলিপাইনে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৪,৬৫৩৩,৯৫১৬১৩১৩.৪% ৬৬.৭%
২০২৪ ৪,৫৩৬৩,৮৪১৬১৯১৩.৯% ৬০.৪%
২০২৫ ৫,১৭৪৪,৪৪২৬৫৪১২.৮% ৪২.৬%

২০২৫ সালে ফিলিপাইনে ডেনমার্কের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ম্যানিলা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫,১৭৪টি আবেদন পেয়েছে এবং ৪,৪৪২টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১২.৮%। হারটি ২০২৪ সালের (১৩.৯%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৪% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৪,৫৩৬টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ফিলিপাইনে জমা পড়া আবেদনের ৬.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ৩.৮% থেকে চেক প্রজাতন্ত্রের কনস্যুলেটে ২২.৩% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ডেনমার্কের কনস্যুলেটগুলো ২১.৯% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ফিলিপাইনে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ডেনমার্ক নবম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ফিলিপাইনে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ডেনমার্কের নাগরিকদের ফিলিপাইন ভ্রমণ

ডেনমার্কফিলিপাইন ভিসা লাগে না, ৩০ দিন ডেনমার্কের নাগরিকদের জন্য ফিলিপাইনের ভিসা

ডেনমার্ক ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

ফিলিপাইন থেকে ডেনমার্কে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ডেনমার্ককে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ডেনমার্কের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ডেনমার্কের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

ফিলিপাইনের নাগরিকরা ডেনমার্কে কত দিন থাকতে পারেন

ডেনমার্কে ফিলিপাইনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

ফিলিপাইনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

ফিলিপাইনে আবেদন করা যায় ম্যানিলায় ডেনমার্কের দূতাবাসে, অথবা ডেনমার্কের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ডেনমার্ক।

ডেনমার্ক ও শেনজেন অঞ্চল

ডেনমার্কের দেওয়া শেনজেন ভিসায় ফিলিপাইনের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ডেনমার্ক যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ডেনমার্কের কাছেই করতে হয়।

ফিলিপাইনের নাগরিকদের জন্য ডেনমার্কের প্রতিবেশী দেশ

জার্মানি যেতে ফিলিপাইনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ডেনমার্কের নাগরিকদের ফিলিপাইন ভ্রমণ

৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ডেনমার্কের নাগরিকদের ফিলিপাইনের ভিসা লাগে না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ডেনমার্কে যেতে ফিলিপাইনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ডেনমার্ক ভ্রমণে ফিলিপাইনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

ফিলিপাইনে ডেনমার্কের দূতাবাস কোথায়?

ডেনমার্কের দূতাবাস ম্যানিলায়।

ফিলিপাইনে যেতে ডেনমার্কের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ডেনমার্কের নাগরিকদের ফিলিপাইনের ভিসা লাগে না।

ফিলিপাইনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ডেনমার্কে যেতে পারেন?

না। ফিলিপাইনের নাগরিকদের আগে থেকে ডেনমার্কের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।