পাকিস্তান
স্পেন
পাকিস্তানের নাগরিকদের জন্য স্পেনের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
পাকিস্তানের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · exteriores.gob.es-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
পাকিস্তানে স্পেনের মিশন
- স্পেনের দূতাবাস, ইসলামাবাদ
اسٹریٹ 4, اسلام آباد
পাকিস্তানে স্পেনের একটি মিশন আছে; দূতাবাস ইসলামাবাদে।
স্পেন: পাকিস্তানে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১৮,৪৮২ | ৬,০৬৭ | ৯,৭৬৬ | ৬০.৪% | ৯.৮% |
| ২০২৪ | ১৫,৩৯৬ | ৫,১০৮ | ৬,৬৮৬ | ৫৬.০% | ১৫.৯% |
| ২০২৫ | ১২,২৯৬ | ৪,২৬৯ | ৫,৬০০ | ৫৫.৫% | ১৮.৮% |
২০২৫ সালে পাকিস্তানে স্পেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ইসলামাবাদ) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১২,২৯৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ৪,২৬৯টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৫৫.৫%। হারটি ২০২৪ সালের (৫৬.০%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২০% কমেছে (২০২৪ সালে ১৫,৩৯৬টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে পাকিস্তানে জমা পড়া আবেদনের ৪৫.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল জার্মানির কনস্যুলেটে ২৪.২% থেকে ডেনমার্কের কনস্যুলেটে ৭৮.৭% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে স্পেনের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। পাকিস্তানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে স্পেন তৃতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে পাকিস্তানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
স্পেনের নাগরিকদের পাকিস্তান ভ্রমণ
স্পেন
পাকিস্তান ই-ভিসা স্পেনের নাগরিকদের জন্য পাকিস্তানের ভিসা
স্পেন ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
পাকিস্তান থেকে স্পেনে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩১ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্পেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২ নভেম্বর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
পাকিস্তানের নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন
স্পেনে পাকিস্তানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
পাকিস্তানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
পাকিস্তানে আবেদন করা যায় ইসলামাবাদে স্পেনের দূতাবাসে, অথবা স্পেনের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে স্পেন।
স্পেন ও শেনজেন অঞ্চল
স্পেনের দেওয়া শেনজেন ভিসায় পাকিস্তানের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; স্পেন যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন স্পেনের কাছেই করতে হয়।
পাকিস্তানের নাগরিকদের জন্য স্পেনের প্রতিবেশী দেশ
আন্ডোরা, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও মরক্কো যেতে পাকিস্তানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
স্পেনের নাগরিকদের পাকিস্তান ভ্রমণ
যাত্রার আগে স্পেনের নাগরিকদের পাকিস্তানের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৩০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
স্পেনে যেতে পাকিস্তানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
পাকিস্তানের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
পাকিস্তানে স্পেনের দূতাবাস কোথায়?
স্পেনের দূতাবাস ইসলামাবাদে।
পাকিস্তানে যেতে স্পেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে স্পেনের নাগরিকদের পাকিস্তানের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৩০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।
পাকিস্তানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন?
না। পাকিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে স্পেনের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।