মিয়ানমার
কিরিবাতি
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য কিরিবাতির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
কিরিবাতিতে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মিয়ানমারের নাগরিকরা কিরিবাতির ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে কিরিবাতির কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে কিরিবাতির দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- কিরিবাতির কনস্যুলেট জেনারেল, সিডনি৮,৩৪৪ km
Wallangra Road 35-39, Sydney
- কিরিবাতির কনস্যুলেট, ওয়েলিংটন১০,৫৪১ km
19 Raroa Terrace, Tawa, 5028, Wellington
দূরত্বের হিসাবে Nay Pyi Taw থেকে কিরিবাতির যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো সিডনি (অস্ট্রেলিয়া, ৮,৩৪৪ কিলোমিটার) ও ওয়েলিংটন (নিউজিল্যান্ড, ১০,৫৪১ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমার থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে কিরিবাতি; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
কিরিবাতির নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
কিরিবাতি
মিয়ানমার আগে থেকে ভিসা লাগে কিরিবাতির নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
কিরিবাতি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিয়ানমার থেকে কিরিবাতিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কিরিবাতিকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১ ডিসেম্বর, ২০২৪)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিরিবাতির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৯ মার্চ, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিরিবাতির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
মিয়ানমারের নাগরিকরা কিরিবাতিতে কত দিন থাকতে পারেন
কিরিবাতিতে মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মিয়ানমারে কিরিবাতির কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে কিরিবাতির সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে কিরিবাতির অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
কিরিবাতির নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
মিয়ানমার ভ্রমণে কিরিবাতির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক। মিয়ানমার ও কিরিবাতির মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কিরিবাতিতে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
কিরিবাতিতে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারে কি কিরিবাতির দূতাবাস আছে?
না। মিয়ানমারে কিরিবাতির কোনো দূতাবাস নেই। কিরিবাতির সবচেয়ে কাছের কনস্যুলেট জেনারেল অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে, Nay Pyi Taw থেকে ৮,৩৪৪ কিলোমিটার দূরে।
মিয়ানমারে যেতে কিরিবাতির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে কিরিবাতির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া কিরিবাতিতে যেতে পারেন?
না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে কিরিবাতির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।