কিরিবাতিমিয়ানমার

কিরিবাতির নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিয়ানমার ভ্রমণে কিরিবাতির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

কিরিবাতির নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী কিরিবাতিতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

তারাওয়ার সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো ক্যানবেরা (অস্ট্রেলিয়া, ৪,৭৬৯ কিলোমিটার), টোকিও (জাপান, ৫,১২৮ কিলোমিটার) ও ম্যানিলা (ফিলিপাইন, ৫,৮৯১ কিলোমিটার) শহরে। কিরিবাতি থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে মিয়ানমার; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।

মিয়ানমারের নাগরিকদের কিরিবাতি ভ্রমণ

মিয়ানমারকিরিবাতি আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য কিরিবাতির ভিসা

মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

কিরিবাতি থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

কিরিবাতির নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন

মিয়ানমারে কিরিবাতির নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

কিরিবাতির নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

কিরিবাতিতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই কিরিবাতির নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে কিরিবাতি পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

কিরিবাতির নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ

চীন যেতে কিরিবাতির নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

মিয়ানমারের নাগরিকদের কিরিবাতি ভ্রমণ

কিরিবাতিতে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। কিরিবাতি ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

মিয়ানমারে যেতে কিরিবাতির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমার ভ্রমণে কিরিবাতির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

কিরিবাতিতে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?

না। কিরিবাতিতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়, তারাওয়া থেকে ৪,৭৬৯ কিলোমিটার দূরে।

কিরিবাতিতে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

কিরিবাতিতে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

কিরিবাতির নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?

না। কিরিবাতির নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।