মঙ্গোলিয়াইতালি

মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের জন্য ইতালির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

ইতালিতে যাওয়ার আগে মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · ambulaanbaatar.esteri.it-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মঙ্গোলিয়ায় ইতালির মিশন

মঙ্গোলিয়ায় ইতালির একটি মিশন আছে; দূতাবাস উলানবাটরে।

ইতালি: মঙ্গোলিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২,০২৯১,৭৬২২৬৭১৩.২% ৩৪.৪%
২০২৪ ২,১৮০২,০৬০১১৬৫.৩% ৩৬.৯%
২০২৫ ২,১৬৩২,০৩১১৩২৬.১% ৩৬.৫%

২০২৫ সালে মঙ্গোলিয়ায় ইতালির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (উলানবাটর) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২,১৬৩টি আবেদন পেয়েছে এবং ২,০৩১টি ভিসা দিয়েছে। ৬.১% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৫.৩%। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ২,১৮০টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মঙ্গোলিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১৪.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল হাঙ্গেরির কনস্যুলেটে ৪.৬% থেকে চেক প্রজাতন্ত্রের কনস্যুলেটে ৩২.৮% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ইতালির কনস্যুলেটগুলো ১০.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মঙ্গোলিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ইতালি চতুর্থ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মঙ্গোলিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ইতালির নাগরিকদের মঙ্গোলিয়া ভ্রমণ

ইতালিমঙ্গোলিয়া ভিসা লাগে না, ৩০ দিন ইতালির নাগরিকদের জন্য মঙ্গোলিয়ার ভিসা

ইতালি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

ইতালিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতালিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইতালির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতালির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

মঙ্গোলিয়ার নাগরিকরা ইতালিতে কত দিন থাকতে পারেন

ইতালিতে মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মঙ্গোলিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মঙ্গোলিয়ায় আবেদন করা যায় উলানবাটরে ইতালির দূতাবাসে, অথবা ইতালির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ইতালি।

ইতালি ও শেনজেন অঞ্চল

ইতালির দেওয়া শেনজেন ভিসায় মঙ্গোলিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ইতালি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ইতালির কাছেই করতে হয়।

মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের জন্য ইতালির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান, স্লোভেনিয়া, সান মারিনো, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ইতালির নাগরিকদের মঙ্গোলিয়া ভ্রমণ

মঙ্গোলিয়ায় যেতে ইতালির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৩০ দিনের বেশি না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ইতালিতে যেতে মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ইতালিতে যাওয়ার আগে মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

মঙ্গোলিয়ায় ইতালির দূতাবাস কোথায়?

ইতালির দূতাবাস উলানবাটরে।

মঙ্গোলিয়ায় যেতে ইতালির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মঙ্গোলিয়ায় যেতে ইতালির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৩০ দিনের বেশি না হয়।

মঙ্গোলিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন?

না। মঙ্গোলিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ইতালির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।