লিথুয়ানিয়াযুক্তরাষ্ট্র

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) সর্বোচ্চ ৯০ দিন

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লাইটে ওঠার আগে লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · lt.usembassy.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

লিথুয়ানিয়ায় ভিসার আবেদন কোথায় করবেন

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা

মঞ্জুর করা ভিসাঅর্থবছর ২০২৪অর্থবছর ২০২৫
ভ্রমণ ও ব্যবসা (B)৫৬৭৫৩৮
শিক্ষার্থী (F, M)২৬২২৭৬
এক্সচেঞ্জ (J)৯৬৪৯৬২
চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি)৪৬৮৫৪৩
ট্রানজিট ও ক্রু (C, D)২৩৬২১২
কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G)৪৫২৩৬২
বাগদত্ত (K)২৫৬
মোট২,৯৭৪২,৮৯৯
B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার২১.০%২১.৩%

অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের ২,৮৯৯টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ১২৮তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ এক্সচেঞ্জ ভিসা (J), ৩৩%; এরপর চাকরি ও বাণিজ্য চুক্তি (১৯%) ও ভ্রমণ ও ব্যবসা (১৯%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (২,৯৭৪) চেয়ে ৩% কম।

অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের ৭৯৯টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩% কম।

ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ২১.৩% (অর্থবছর ২০২৪: ২১.০%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।

এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু লিথুয়ানিয়ায় মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের লিথুয়ানিয়া ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রলিথুয়ানিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য লিথুয়ানিয়ার ভিসা

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ

  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

লিথুয়ানিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। অনুমোদিত অবস্থানের মেয়াদ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় নির্ধারিত হয়।

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকরা যাত্রার আগে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ETA-র জন্য অনলাইনে আবেদন করেন; ETA যে পাসপোর্টে ভ্রমণ করবেন, সেটির সঙ্গেই যুক্ত থাকে।

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ

মেক্সিকো যেতে লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের লিথুয়ানিয়া ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই লিথুয়ানিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

যুক্তরাষ্ট্রে যেতে লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লাইটে ওঠার আগে লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন?

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, ETA নিয়ে।

লিথুয়ানিয়ায় যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই লিথুয়ানিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

লিথুয়ানিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?

না। লিথুয়ানিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ETA নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।