ইসরায়েল
হাঙ্গেরি
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
হাঙ্গেরিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে ইসরায়েলের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · telaviv.mfa.gov.hu-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
হাঙ্গেরি: ইসরায়েলে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৬৫১ | ৪৭৪ | ১৭৭ | ২৭.১% | ২৭.৬% |
| ২০২৪ | ৫৬৭ | ৩৪২ | ২২৫ | ৩৯.৭% | ৩৩.৩% |
| ২০২৫ | ৫৭৯ | ৪৩৪ | ১২৭ | ২২.৬% | ৩৬.৪% |
২০২৫ সালে ইসরায়েলে হাঙ্গেরির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (তেল আবিব) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫৭৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ৪৩৪টি ভিসা দিয়েছে। ২২.৬% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৩৯.৭%, অর্থাৎ এটি ১৭.১ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ৫৬৭টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ইসরায়েলে জমা পড়া আবেদনের ১৮.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল জার্মানির কনস্যুলেটে ২.১% থেকে স্পেনের কনস্যুলেটে ২৯.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটগুলো ১৩.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসরায়েলে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরি অষ্টম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ইসরায়েলে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
হাঙ্গেরির নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
হাঙ্গেরি
ইসরায়েল ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য ইসরায়েলের ভিসা
হাঙ্গেরি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ইসরায়েল থেকে হাঙ্গেরিতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হাঙ্গেরিকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাঙ্গেরির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
ইসরায়েলের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন
ইসরায়েলের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। হাঙ্গেরিতে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
হাঙ্গেরি ও শেনজেন অঞ্চল
ইসরায়েলের নাগরিকদের ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরি ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির প্রতিবেশী দেশ
স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও সার্বিয়া যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
হাঙ্গেরির নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
যাত্রার আগে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ইসরায়েলের ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির (ETA) জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
হাঙ্গেরিতে যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
হাঙ্গেরিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে ইসরায়েলের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
ইসরায়েলের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন?
ইসরায়েলের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
ইসরায়েলে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ইসরায়েলের ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির (ETA) জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
ইসরায়েলের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, ইসরায়েলের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।