ইসরায়েল
বেলজিয়াম
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ইসরায়েলের নাগরিকদের বেলজিয়ামের ভিসা লাগে না।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · israel.diplomatie.belgium.be-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
বেলজিয়াম: ইসরায়েলে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৬৫১ | ৪৯৪ | ১৫৭ | ২৩.৮% | ৩০.০% |
| ২০২৪ | ৬৭৩ | ৪৪১ | ২০৯ | ৩১.৪% | ১৭.৯% |
| ২০২৫ | ৭১৭ | ৫৩৫ | ১৬১ | ২২.৫% | ৩২.৫% |
২০২৫ সালে ইসরায়েলে বেলজিয়ামের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (জেরুজালেম ও তেল আবিব) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৭১৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ৫৩৫টি ভিসা দিয়েছে। ২২.৫% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৩১.৪%, অর্থাৎ এটি ৮.৮ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৭% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৬৭৩টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ইসরায়েলে জমা পড়া আবেদনের ১৮.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল জার্মানির কনস্যুলেটে ২.১% থেকে স্পেনের কনস্যুলেটে ২৯.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে বেলজিয়ামের কনস্যুলেটগুলো ২৬.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসরায়েলে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে বেলজিয়াম ষষ্ঠ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ইসরায়েলে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
বেলজিয়ামের নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
বেলজিয়াম
ইসরায়েল ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) বেলজিয়ামের নাগরিকদের জন্য ইসরায়েলের ভিসা
বেলজিয়াম ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ইসরায়েল থেকে বেলজিয়ামে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেলজিয়ামকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) বেলজিয়ামের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৭ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেলজিয়ামের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
ইসরায়েলের নাগরিকরা বেলজিয়ামে কত দিন থাকতে পারেন
ইসরায়েলের নাগরিকরা বেলজিয়ামে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। বেলজিয়ামে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
বেলজিয়াম ও শেনজেন অঞ্চল
ইসরায়েলের নাগরিকদের ভিসা ছাড়া বেলজিয়াম ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের প্রতিবেশী দেশ
জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, লাক্সেমবার্গ ও ফ্রান্স যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
বেলজিয়ামের নাগরিকদের ইসরায়েল ভ্রমণ
ইসরায়েলের ফ্লাইটে ওঠার আগে বেলজিয়ামের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বেলজিয়ামে যেতে ইসরায়েলের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ইসরায়েলের নাগরিকদের বেলজিয়ামের ভিসা লাগে না।
ইসরায়েলের নাগরিকরা বেলজিয়ামে কত দিন থাকতে পারেন?
ইসরায়েলের নাগরিকরা বেলজিয়ামে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
ইসরায়েলে যেতে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইসরায়েলের ফ্লাইটে ওঠার আগে বেলজিয়ামের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
ইসরায়েলের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, ইসরায়েলের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।