ইরান
বেলজিয়াম
ইরানের নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
বেলজিয়াম ভ্রমণে ইরানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · iran.diplomatie.belgium.be-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
ইরানে বেলজিয়ামের মিশন
- বেলজিয়ামের দূতাবাস, তেহরান
شیرین 4, تهران
ইরানে বেলজিয়ামের একটি মিশন আছে; দূতাবাস তেহরানে।
বেলজিয়াম: ইরানে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ২,৪২৭ | ১,৭১৭ | ৭১০ | ২৯.১% | ৩১.০% |
| ২০২৪ | ২,২৬২ | ১,৩৭৬ | ৮৩৯ | ৩৭.৭% | ২৬.২% |
| ২০২৫ | ২,১১৯ | ১,৩১৪ | ৭৭০ | ৩৬.৯% | ৪৪.১% |
২০২৫ সালে ইরানে বেলজিয়ামের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (তেহরান) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২,১১৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৩১৪টি ভিসা দিয়েছে। ৩৬.৯% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৩৭.৭%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৬% কমেছে (২০২৪ সালে ২,২৬২টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ইরানে জমা পড়া আবেদনের ২৯.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ১৬.৬% থেকে অস্ট্রিয়ার কনস্যুলেটে ৪৬.২% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে বেলজিয়ামের কনস্যুলেটগুলো ২৬.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে বেলজিয়াম নবম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ইরানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
বেলজিয়ামের নাগরিকদের ইরান ভ্রমণ
বেলজিয়াম
ইরান অন-অ্যারাইভাল ভিসা বেলজিয়ামের নাগরিকদের জন্য ইরানের ভিসা
বেলজিয়াম ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ইরান থেকে বেলজিয়ামে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেলজিয়ামকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) বেলজিয়ামের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৭ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেলজিয়ামের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
ইরানের নাগরিকরা বেলজিয়ামে কত দিন থাকতে পারেন
বেলজিয়ামে ইরানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ইরানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
ইরানে আবেদন করা যায় তেহরানে বেলজিয়ামের দূতাবাসে, অথবা বেলজিয়ামের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে বেলজিয়াম।
বেলজিয়াম ও শেনজেন অঞ্চল
বেলজিয়ামের দেওয়া শেনজেন ভিসায় ইরানের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; বেলজিয়াম যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন বেলজিয়ামের কাছেই করতে হয়।
ইরানের নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের প্রতিবেশী দেশ
জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, লাক্সেমবার্গ ও ফ্রান্স যেতে ইরানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
বেলজিয়ামের নাগরিকদের ইরান ভ্রমণ
বেলজিয়ামের নাগরিকরা ইরানে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বেলজিয়ামে যেতে ইরানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বেলজিয়াম ভ্রমণে ইরানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
ইরানে বেলজিয়ামের দূতাবাস কোথায়?
বেলজিয়ামের দূতাবাস তেহরানে।
ইরানে যেতে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বেলজিয়ামের নাগরিকরা ইরানে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
ইরানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন?
না। ইরানের নাগরিকদের আগে থেকে বেলজিয়ামের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।