কিউবা
ইতালি
কিউবার নাগরিকদের জন্য ইতালির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ইতালি ভ্রমণে কিউবার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · amblavana.esteri.it-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
কিউবায় ইতালির মিশন
কিউবায় ইতালির একটি মিশন আছে; দূতাবাস হাভানায়।
ইতালি: কিউবায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৬,৭৩৪ | ৫,১৬১ | ১,৫৬৬ | ২৩.৩% | ৭৩.৬% |
| ২০২৪ | ৫,৬৮১ | ৪,৩৩১ | ১,৩৪৯ | ২৩.৭% | ৬৫.২% |
| ২০২৫ | ৫,০৭৪ | ৩,৩৩১ | ১,৭৪৩ | ৩৪.৩% | ৫০.৮% |
২০২৫ সালে কিউবায় ইতালির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (হাভানা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫,০৭৪টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩,৩৩১টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩৪.৩%। ২০২৪ সালের ২৩.৭%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১০.৬ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১১% কমেছে (২০২৪ সালে ৫,৬৮১টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কিউবায় জমা পড়া আবেদনের ২১.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল স্পেনের কনস্যুলেটে ১১.৬% থেকে জার্মানির কনস্যুলেটে ৪২.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ইতালির কনস্যুলেটগুলো ১০.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কিউবায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ইতালি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কিউবায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ইতালির নাগরিকদের কিউবা ভ্রমণ
ইতালি
কিউবা ই-ভিসা ইতালির নাগরিকদের জন্য কিউবার ভিসা
ইতালি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ইতালিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন কিউবার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতালিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইতালির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতালির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
কিউবার নাগরিকরা ইতালিতে কত দিন থাকতে পারেন
ইতালিতে কিউবার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
কিউবার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
কিউবায় আবেদন করা যায় হাভানায় ইতালির দূতাবাসে, অথবা ইতালির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ইতালি।
ইতালি ও শেনজেন অঞ্চল
ইতালির দেওয়া শেনজেন ভিসায় কিউবার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ইতালি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ইতালির কাছেই করতে হয়।
কিউবার নাগরিকদের জন্য ইতালির প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান, স্লোভেনিয়া, সান মারিনো, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে কিউবার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ইতালির নাগরিকদের কিউবা ভ্রমণ
যাত্রার আগে ইতালির নাগরিকদের কিউবার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ইতালিতে যেতে কিউবার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইতালি ভ্রমণে কিউবার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
কিউবায় ইতালির দূতাবাস কোথায়?
ইতালির দূতাবাস হাভানায়।
কিউবায় যেতে ইতালির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে ইতালির নাগরিকদের কিউবার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।
কিউবার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন?
না। কিউবার নাগরিকদের আগে থেকে ইতালির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।