কলম্বিয়াসুইজারল্যান্ড

কলম্বিয়ার নাগরিকদের জন্য সুইজারল্যান্ডের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ভিসা লাগে না সর্বোচ্চ ৯০ দিন

সুইজারল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে কলম্বিয়ার নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · eda.admin.ch-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

সুইজারল্যান্ড: কলম্বিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২৬২৫১৩.৮% ৫৬.০%
২০২৪ ২৬২৪২৭.৭% ৭৯.২%
২০২৫ ২৯২৭১৩.৪% ৯৬.৩%

২০২৫ সালে কলম্বিয়ায় সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (বোগোতা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ২৭টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩.৪%। ২০২৪ সালের ৭.৭%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৪.২ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১২% বেড়েছে (২০২৪ সালে ২৬টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কলম্বিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১০.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটগুলো ১২.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কলম্বিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে সুইজারল্যান্ড নবম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কলম্বিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের কলম্বিয়া ভ্রমণ

সুইজারল্যান্ডকলম্বিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য কলম্বিয়ার ভিসা

সুইজারল্যান্ড ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

কলম্বিয়া থেকে সুইজারল্যান্ডে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সুইজারল্যান্ডকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৩ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) সুইজারল্যান্ডের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুইজারল্যান্ডের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

কলম্বিয়ার নাগরিকরা সুইজারল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন

কলম্বিয়ার নাগরিকরা সুইজারল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। সুইজারল্যান্ডে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।

সুইজারল্যান্ড ও শেনজেন অঞ্চল

কলম্বিয়ার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া সুইজারল্যান্ড ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।

কলম্বিয়ার নাগরিকদের জন্য সুইজারল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ

জার্মানি, ইতালি, লিখটেনস্টাইন, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে কলম্বিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের কলম্বিয়া ভ্রমণ

কলম্বিয়ায় যেতে সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়। কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

সুইজারল্যান্ডে যেতে কলম্বিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

সুইজারল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে কলম্বিয়ার নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

কলম্বিয়ার নাগরিকরা সুইজারল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন?

কলম্বিয়ার নাগরিকরা সুইজারল্যান্ডে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।

কলম্বিয়ায় যেতে সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

কলম্বিয়ায় যেতে সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

কলম্বিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া সুইজারল্যান্ডে যেতে পারেন?

হ্যাঁ, কলম্বিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া সুইজারল্যান্ডে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।