কলম্বিয়া
অস্ট্রিয়া
কলম্বিয়ার নাগরিকদের জন্য অস্ট্রিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
অস্ট্রিয়ায় যেতে কলম্বিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
অস্ট্রিয়া: কলম্বিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৩৮ | ৩৫ | ৩ | ৭.৯% | ৯১.৪% |
| ২০২৪ | ৪৯ | ২৯ | ১৯ | ৩৮.৮% | ৭৯.৩% |
| ২০২৫ | ৪৬ | ৩৫ | ৭ | ১৬.৩% | ৭৭.১% |
২০২৫ সালে কলম্বিয়ায় অস্ট্রিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (বোগোতা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৪৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩৫টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১৬.৩%। ২০২৪ সালের ৩৮.৮%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ২২.৫ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৬% কমেছে (২০২৪ সালে ৪৯টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কলম্বিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১০.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে অস্ট্রিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১১.৯% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কলম্বিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া পঞ্চম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কলম্বিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের কলম্বিয়া ভ্রমণ
অস্ট্রিয়া
কলম্বিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের জন্য কলম্বিয়ার ভিসা
অস্ট্রিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
কলম্বিয়া থেকে অস্ট্রিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অস্ট্রিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) অস্ট্রিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অস্ট্রিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
কলম্বিয়ার নাগরিকরা অস্ট্রিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
কলম্বিয়ার নাগরিকরা অস্ট্রিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। অস্ট্রিয়ায় কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
অস্ট্রিয়া ও শেনজেন অঞ্চল
কলম্বিয়ার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়া ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
কলম্বিয়ার নাগরিকদের জন্য অস্ট্রিয়ার প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, ইতালি, স্লোভেনিয়া ও লিখটেনস্টাইন যেতে কলম্বিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের কলম্বিয়া ভ্রমণ
অস্ট্রিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই কলম্বিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। কলম্বিয়া ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
অস্ট্রিয়ায় যেতে কলম্বিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
অস্ট্রিয়ায় যেতে কলম্বিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।
কলম্বিয়ার নাগরিকরা অস্ট্রিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন?
কলম্বিয়ার নাগরিকরা অস্ট্রিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
কলম্বিয়ায় যেতে অস্ট্রিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
অস্ট্রিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই কলম্বিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
কলম্বিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়ায় যেতে পারেন?
হ্যাঁ, কলম্বিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া অস্ট্রিয়ায় যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।