চীনস্লোভাকিয়া

চীনের নাগরিকদের জন্য স্লোভাকিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

স্লোভাকিয়া ভ্রমণে চীনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mzv.sk-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

চীনে স্লোভাকিয়ার মিশন

চীনে স্লোভাকিয়ার একটি মিশন আছে; দূতাবাস বেইজিংয়ে।

স্লোভাকিয়া: চীনে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৮৯৫৮১৯৪৬৫.৩% ৪.২%
২০২৪ ১,৬৪৩১,৩৭৬১৯৭১২.৪% ৯.৭%
২০২৫ ২,৩২৬২,১৪৯৭৯৩.৫% ১৬.৩%

২০২৫ সালে চীনে স্লোভাকিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (সাংহাই ও বেইজিং) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২,৩২৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ২,১৪৯টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩.৫%। ২০২৪ সালের ১২.৪%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৮.৯ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৪২% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১,৬৪৩টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে চীনে জমা পড়া আবেদনের ৪.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল লাক্সেমবার্গের কনস্যুলেটে ১.৩% থেকে মাল্টার কনস্যুলেটে ১৯.৩% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে স্লোভাকিয়ার কনস্যুলেটগুলো ৯.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে স্লোভাকিয়া ২৪তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে চীনে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

স্লোভাকিয়ার নাগরিকদের চীন ভ্রমণ

স্লোভাকিয়াচীন ভিসা লাগে না, ৩০ দিন স্লোভাকিয়ার নাগরিকদের জন্য চীনের ভিসা

স্লোভাকিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

চীন থেকে স্লোভাকিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্লোভাকিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্লোভাকিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৮ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্লোভাকিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

চীনের নাগরিকরা স্লোভাকিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

স্লোভাকিয়ায় চীনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

চীনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

চীনে আবেদন করা যায় বেইজিংয়ে স্লোভাকিয়ার দূতাবাসে, অথবা স্লোভাকিয়ার নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে স্লোভাকিয়া।

স্লোভাকিয়া ও শেনজেন অঞ্চল

স্লোভাকিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় চীনের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; স্লোভাকিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন স্লোভাকিয়ার কাছেই করতে হয়।

চীনের নাগরিকদের জন্য স্লোভাকিয়ার প্রতিবেশী দেশ

পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, চেক প্রজাতন্ত্র ও অস্ট্রিয়া যেতে চীনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

স্লোভাকিয়ার নাগরিকদের চীন ভ্রমণ

চীনে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে স্লোভাকিয়ার নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

স্লোভাকিয়ায় যেতে চীনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

স্লোভাকিয়া ভ্রমণে চীনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

চীনে স্লোভাকিয়ার দূতাবাস কোথায়?

স্লোভাকিয়ার দূতাবাস বেইজিংয়ে।

চীনে যেতে স্লোভাকিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

চীনে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে স্লোভাকিয়ার নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

চীনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্লোভাকিয়ায় যেতে পারেন?

না। চীনের নাগরিকদের আগে থেকে স্লোভাকিয়ার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।