চীনইতালি

চীনের নাগরিকদের জন্য ইতালির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

চীনের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
৪টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · ambpechino.esteri.it-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

চীনে ইতালির মিশন

চীনে ইতালির সব মিশন

চীনে ইতালির ৪টি মিশন আছে; দূতাবাস বেইজিংয়ে। কনস্যুলেট: সাংহাই, গুয়াংজু ও চংকিং।

ইতালি: চীনে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৪৩,৬৪৮১,৩৬,১৫৫৭,৩২১৫.১% ৬২.৪%
২০২৪ ২,২৭,২৯৩২,১৮,৭৪৬৮,৪১৬৩.৭% ৩২.৮%
২০২৫ ২,৭৭,৯৯৩২,৬৯,৪২৩৮,৫৭০৩.১% ২৯.৭%

২০২৫ সালে চীনে ইতালির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (বেইজিং, সাংহাই, গুয়াংজু ও চংকিং) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২,৭৭,৯৯৩টি আবেদন পেয়েছে এবং ২,৬৯,৪২৩টি ভিসা দিয়েছে। ৩.১% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৩.৭%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২২% বেড়েছে (২০২৪ সালে ২,২৭,২৯৩টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে চীনে জমা পড়া আবেদনের ৪.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল লাক্সেমবার্গের কনস্যুলেটে ১.৩% থেকে মাল্টার কনস্যুলেটে ১৯.৩% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ইতালির কনস্যুলেটগুলো ১০.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ইতালি চতুর্থ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে চীনে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ইতালির নাগরিকদের চীন ভ্রমণ

ইতালিচীন ভিসা লাগে না, ৩০ দিন ইতালির নাগরিকদের জন্য চীনের ভিসা

ইতালি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

ইতালিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন চীনের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতালিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইতালির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতালির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

চীনের নাগরিকরা ইতালিতে কত দিন থাকতে পারেন

ইতালিতে চীনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

চীনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

চীনে আবেদন করা যায় বেইজিংয়ে ইতালির দূতাবাসে অথবা সাংহাই, গুয়াংজু ও চংকিং শহরের কনস্যুলেটে, অথবা ইতালির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ইতালি।

ইতালি ও শেনজেন অঞ্চল

ইতালির দেওয়া শেনজেন ভিসায় চীনের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ইতালি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ইতালির কাছেই করতে হয়।

চীনের নাগরিকদের জন্য ইতালির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান, স্লোভেনিয়া, সান মারিনো, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে চীনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ইতালির নাগরিকদের চীন ভ্রমণ

চীনে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে ইতালির নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ইতালিতে যেতে চীনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

চীনের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

চীনে ইতালির দূতাবাস কোথায়?

ইতালির দূতাবাস বেইজিংয়ে, আর সাংহাই, গুয়াংজু ও চংকিং শহরে কনস্যুলেটও আছে।

চীনে যেতে ইতালির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

চীনে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে ইতালির নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

চীনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন?

না। চীনের নাগরিকদের আগে থেকে ইতালির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।