চীন
বুলগেরিয়া
চীনের নাগরিকদের জন্য বুলগেরিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
বুলগেরিয়া ভ্রমণে চীনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.bg-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
চীনে বুলগেরিয়ার মিশন
- বুলগেরিয়া প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, বেইজিং
Xiu Shui Bei Jie 4, Beijing
চীনে বুলগেরিয়ার একটি মিশন আছে; দূতাবাস বেইজিংয়ে।
বুলগেরিয়া: চীনে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৪ (আংশিক বছর) | ২,৪২৪ | ১,৯৫১ | ১৮৩ | ৭.৫% | ২৮.৩% |
| ২০২৫ | ৩,৬৮৭ | ৩,২৬৫ | ৩৫০ | ৯.৭% | ২৬.৪% |
২০২৫ সালে চীনে বুলগেরিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (সাংহাই ও বেইজিং) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩,৬৮৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩,২৬৫টি ভিসা দিয়েছে। ৯.৭% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৭.৫%, অর্থাৎ এটি ২.১ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৫২% বেড়েছে (২০২৪ সালে ২,৪২৪টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে চীনে জমা পড়া আবেদনের ৪.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল লাক্সেমবার্গের কনস্যুলেটে ১.৩% থেকে মাল্টার কনস্যুলেটে ১৯.৩% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে বুলগেরিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১২.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে বুলগেরিয়া ২০তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। বুলগেরিয়া ৩১ মার্চ ২০২৪ থেকে শেনজেন ভিসা দেওয়া শুরু করে, তাই ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান বছরের একটি অংশের। এই পরিসংখ্যানে চীনে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৪–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
বুলগেরিয়ার নাগরিকদের চীন ভ্রমণ
বুলগেরিয়া
চীন ভিসা লাগে না, ৩০ দিন বুলগেরিয়ার নাগরিকদের জন্য চীনের ভিসা
বুলগেরিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
চীন থেকে বুলগেরিয়ায় যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বুলগেরিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৮ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) বুলগেরিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুলগেরিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
চীনের নাগরিকরা বুলগেরিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
বুলগেরিয়ায় চীনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
চীনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
চীনে আবেদন করা যায় বেইজিংয়ে বুলগেরিয়ার দূতাবাসে, অথবা বুলগেরিয়ার নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে বুলগেরিয়া।
বুলগেরিয়া ও শেনজেন অঞ্চল
বুলগেরিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় চীনের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; বুলগেরিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন বুলগেরিয়ার কাছেই করতে হয়।
চীনের নাগরিকদের জন্য বুলগেরিয়ার প্রতিবেশী দেশ
সার্বিয়া যেতে চীনের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, গ্রিস ও রোমানিয়া যেতে চীনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
বুলগেরিয়ার নাগরিকদের চীন ভ্রমণ
৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য বুলগেরিয়ার নাগরিকদের চীনের ভিসা লাগে না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বুলগেরিয়ায় যেতে চীনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বুলগেরিয়া ভ্রমণে চীনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
চীনে বুলগেরিয়ার দূতাবাস কোথায়?
বুলগেরিয়ার দূতাবাস বেইজিংয়ে।
চীনে যেতে বুলগেরিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য বুলগেরিয়ার নাগরিকদের চীনের ভিসা লাগে না।
চীনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া বুলগেরিয়ায় যেতে পারেন?
না। চীনের নাগরিকদের আগে থেকে বুলগেরিয়ার ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।