অস্ট্রেলিয়াস্পেন

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের জন্য স্পেনের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ভিসা লাগে না সর্বোচ্চ ৯০ দিন

স্পেনে যেতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · exteriores.gob.es-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

স্পেন: অস্ট্রেলিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৩৩৬১,৬২০১৬১.০% ১.২%
২০২৪ ১,৫৮৬১,৮২২৪৭২.৫% ০.৮%
২০২৫ ১,০৯৩১,২৮৪১৯১.৫% ০.৫%

২০২৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় স্পেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (সিডনি, মেলবোর্ন ও ক্যানবেরা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,০৯৩টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,২৮৪টি ভিসা দিয়েছে। ১.৫% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ২.৫%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৩১% কমেছে (২০২৪ সালে ১,৫৮৬টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে অস্ট্রেলিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ৩.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটে ০.৬% থেকে নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ৮.৮% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে স্পেনের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। অস্ট্রেলিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে স্পেন ষষ্ঠ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে অস্ট্রেলিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

স্পেনের নাগরিকদের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ

স্পেনঅস্ট্রেলিয়া ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) স্পেনের নাগরিকদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিসা

স্পেন ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

স্পেনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩১ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্পেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২ নভেম্বর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা স্পেনে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। স্পেনে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।

স্পেন ও শেনজেন অঞ্চল

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া স্পেন ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের জন্য স্পেনের প্রতিবেশী দেশ

আন্ডোরা, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও মরক্কো যেতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

স্পেনের নাগরিকদের অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ

অস্ট্রেলিয়ার ফ্লাইটে ওঠার আগে স্পেনের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

স্পেনে যেতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

স্পেনে যেতে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন?

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা স্পেনে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।

অস্ট্রেলিয়ায় যেতে স্পেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

অস্ট্রেলিয়ার ফ্লাইটে ওঠার আগে স্পেনের নাগরিকদের অনলাইনে ETA নিতে হয়, যা দিয়ে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন?

হ্যাঁ, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।