পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট
অনারারি কনস্যুলেট বাংলাদেশ পটসডাম, জার্মানি
- ঠিকানা
- 14469 Potsdam, Eisenhartstraße 2
- ফ্যাক্স
- +49 331 27 87 25
খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।
সঠিক অবস্থান এখনো জানা নেই, তাই মানচিত্রে শহরের অবস্থান দেখানো হয়েছে।
মিশনপ্রধান: অনারারি কনসাল Dr. Karlheinz Knauthe
উৎস: জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (Auswärtiges Amt) উন্মুক্ত তথ্য · সর্বশেষ পরিবর্তন: ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২
14469 Potsdam, Eisenhartstraße 2 ঠিকানায় একজন অনারারি কনসাল বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন। অনারারি কনস্যুলেট প্রাথমিক সহায়তা দেয় ও কাগজপত্র পাঠিয়ে দেয়; ভিসা ও পাসপোর্ট দেয় দূতাবাস বা কনস্যুলেট জেনারেল। জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে বাংলাদেশের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট, পটসডাম: খোলার সময়
খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।
জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (Auswärtiges Amt) মন্তব্য, জার্মান ভাষায়
Mo. - Fr. 09.00 - 12.00 Uhr
আসন্ন ছুটি
জার্মানির ছুটির দিন
-
বড়দিন (Erster Weihnachtstag)
-
সেন্ট স্টিফেনস ডে (Zweiter Weihnachtstag)
বাংলাদেশের ছুটির দিন
-
বিজয় দিবস
-
বড়দিন
পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেটের নির্দিষ্ট খোলার সময় জানা নেই, তবে সেবার সময় বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে একটি অফিশিয়াল মন্তব্য আছে (জার্মান ভাষায়)।
জার্মানির নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা
জার্মানি
বাংলাদেশ অন-অ্যারাইভাল ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা
বাংলাদেশ
জার্মানি আগে থেকে ভিসা লাগে বাংলাদেশিদের জন্য জার্মানির ভিসা
জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে বাংলাদেশের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
জার্মানিতে বাংলাদেশের অন্য মিশন
- বাংলাদেশ দূতাবাস, বার্লিন
10553 Berlin, Kaiserin Augusta-Allee 111
- বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট, মিউনিখ
Residenzstraße 24, 80333 München
- বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট, ফ্রাঙ্কফুর্ট
60599 Frankfurt am Main, Schnappbornweg 75
- বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট, ব্রেমেন
Am Weser-Terminal 8, 28217 Bremen
জার্মানিতে বাংলাদেশের সব মিশন (৫)
এই অফিস যে কাজ করে না, তার দায়িত্ব বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের। পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেটের বাইরে জার্মানিতে বাংলাদেশের আরও ৪টি মিশন আছে। অনারারি কনস্যুলেট: মিউনিখ, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও ব্রেমেন। উল্টো দিকে, বাংলাদেশে জার্মানির ২টি মিশন আছে; দূতাবাস ঢাকায়।
জেনে রাখুন
পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট সম্পর্কে
আমাদের তথ্য অনুযায়ী এই মিশনের প্রধান অনারারি কনসাল Dr. Karlheinz Knauthe।
ঠিকানা ও যোগাযোগ
ঠিকানা: 14469 Potsdam, Eisenhartstraße 2। পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেটের ফোন নম্বর, ইমেইল ও ফ্যাক্স নম্বর আমাদের কাছে আছে। সঠিক অবস্থান জানা নেই, তাই মানচিত্রে শহরটি দেখানো হয়েছে; ওপরের ঠিকানা ব্যবহার করুন।
বাংলাদেশি নাগরিকদের জার্মানি ভ্রমণ
জার্মানি ভ্রমণে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট, পটসডাম: ছুটির দিন
পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট জার্মানির সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে; আসন্ন ছুটি: শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন, Erster Weihnachtstag) এবং শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬ (সেন্ট স্টিফেনস ডে, Zweiter Weihnachtstag)। মিশনটি সাধারণত বাংলাদেশের ছুটিতেও বন্ধ থাকে, যেমন বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বিজয় দিবস)।
পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেটে যাওয়ার আগে
যাওয়ার আগে পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেটে ফোন করে খোলার সময় নিশ্চিত হয়ে নিন এবং জেনে নিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগবে কি না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট কোথায়?
পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেটের ঠিকানা: 14469 Potsdam, Eisenhartstraße 2।
পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট কবে বন্ধ থাকে?
পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট জার্মানির সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে, পরবর্তী ছুটি শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন, Erster Weihnachtstag), আর সাধারণত বাংলাদেশের জাতীয় দিবসেও।
বাংলাদেশে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে বাংলাদেশের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
পটসডামে বাংলাদেশের অনারারি কনস্যুলেট কি ভিসা বা পাসপোর্ট দেয়?
সাধারণত না। ভিসা ও পাসপোর্টের জন্য পটসডামের বাসিন্দাদের বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের বা বাংলাদেশের কোনো পেশাদার কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
পরিবর্তনের খবর দিন
এটি একটি স্বাধীন তথ্যসূত্র, বাংলাদেশ সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট নয়।