বাংলাদেশজার্মানি

বাংলাদেশিদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

জার্মানিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
২টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · dhaka.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

বাংলাদেশে জার্মানির মিশন

বাংলাদেশে জার্মানির সব মিশন

বাংলাদেশে জার্মানির ২টি মিশন আছে; দূতাবাস ঢাকায়। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: চট্টগ্রাম।

জার্মানি: বাংলাদেশে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৪,৭৪৫৩,৫৭০১,১৩৯২৪.১% ৯৯.৯%
২০২৪ ৫,৯৩৩৩,৩০৩২,৫৩৯৪৩.৩% ৯৯.৯%
২০২৫ ৫,৮৮৯৪,০৫৮১,৭৪৫৩০.০% ৯৯.৯%

২০২৫ সালে বাংলাদেশে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ঢাকা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫,৮৮৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ৪,০৫৮টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩০.০%। ২০২৪ সালের ৪৩.৩%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১৩.৩ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ৫,৯৩৩টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে বাংলাদেশে জমা পড়া আবেদনের ৫৪.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটে ২৭.৮% থেকে সুইডেনের কনস্যুলেটে ৭৪.৫% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বাংলাদেশে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি তৃতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে বাংলাদেশে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ

জার্মানিবাংলাদেশ অন-অ্যারাইভাল ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

বাংলাদেশ থেকে জার্মানিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

বাংলাদেশি নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

জার্মানিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

বাংলাদেশি নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

বাংলাদেশে আবেদন করা যায় ঢাকায় জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় বাংলাদেশি নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জার্মানির নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ

জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে বাংলাদেশের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে বাংলাদেশিদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

বাংলাদেশে জার্মানির দূতাবাস কোথায়?

জার্মানির দূতাবাস ঢাকায়।

বাংলাদেশে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে বাংলাদেশের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

বাংলাদেশি নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

না। বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।