জিম্বাবোয়েযুক্তরাষ্ট্র

জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · zw.usembassy.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

জিম্বাবোয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন

জিম্বাবোয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিশন আছে; দূতাবাস হারারেতে।

জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা

মঞ্জুর করা ভিসাঅর্থবছর ২০২৪অর্থবছর ২০২৫
ভ্রমণ ও ব্যবসা (B)৭,৭৩১৫,৮৭৩
শিক্ষার্থী (F, M)১,৭৫৫২,৭৯৪
এক্সচেঞ্জ (J)৭৫৯৫৮৬
চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি)৩৭৩৩১৯
ট্রানজিট ও ক্রু (C, D)৪,৪৮৩৩,১৩৮
কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G)৮৩৯৭৭৪
বাগদত্ত (K)৬৭১৯
অন্যান্য০৫
মোট১৬,০০৭১৩,৫০৮
B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার৩৯.৫%৩৭.৬%

অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের ১৩,৫০৮টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ৬৮তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৪৩%; এরপর ট্রানজিট ও ক্রু (২৩%) ও শিক্ষার্থী (২১%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (১৬,০০৭) চেয়ে ১৬% কম।

অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের ২,৫৭০টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬২% কম।

ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৩৭.৬% (অর্থবছর ২০২৪: ৩৯.৫%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।

এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু জিম্বাবোয়েতে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জিম্বাবোয়ে ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রজিম্বাবোয়ে অন-অ্যারাইভাল ভিসা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য জিম্বাবোয়ের ভিসা

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ

  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

জিম্বাবোয়ে থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন

যুক্তরাষ্ট্রে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

জিম্বাবোয়েতে আবেদন করা যায় হারারেতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে যুক্তরাষ্ট্র।

জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ

কানাডা ও মেক্সিকো যেতে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জিম্বাবোয়ে ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে জিম্বাবোয়ের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

যুক্তরাষ্ট্রে যেতে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

জিম্বাবোয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কোথায়?

যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস হারারেতে।

জিম্বাবোয়েতে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে জিম্বাবোয়ের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?

না। জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।