জিম্বাবোয়েস্পেন

জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের জন্য স্পেনের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

স্পেনে যাওয়ার আগে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · exteriores.gob.es-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

জিম্বাবোয়েতে স্পেনের মিশন

  • স্পেনের দূতাবাস, হারারে

    দূতাবাস · হারারে

    Philips Avenue 16, Harare

    আজ ০৯:০০–১৪:০০

জিম্বাবোয়েতে স্পেনের একটি মিশন আছে; দূতাবাস হারারেতে।

স্পেন: জিম্বাবোয়েতে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,২০২৯৮০১৩১১১.৮% ৪.২%
২০২৪ ১,৬৬০১,৩৬৯২০২১২.৯% ৪.৫%
২০২৫ ১,৯৩৩১,৭২০১৫৯৮.৫% ৪.৬%

২০২৫ সালে জিম্বাবোয়েতে স্পেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (হারারে) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৯৩৩টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৭২০টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৮.৫%। ২০২৪ সালের ১২.৯%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৪.৪ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৬% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১,৬৬০টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে জিম্বাবোয়েতে জমা পড়া আবেদনের ১৫.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ইতালির কনস্যুলেটে ১.৯% থেকে নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ৪২.৭% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে স্পেনের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। জিম্বাবোয়েতে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে স্পেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে জিম্বাবোয়েতে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

স্পেনের নাগরিকদের জিম্বাবোয়ে ভ্রমণ

স্পেনজিম্বাবোয়ে অন-অ্যারাইভাল ভিসা স্পেনের নাগরিকদের জন্য জিম্বাবোয়ের ভিসা

স্পেন ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

জিম্বাবোয়ে থেকে স্পেনে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩১ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্পেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২ নভেম্বর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন

স্পেনে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

জিম্বাবোয়েতে আবেদন করা যায় হারারেতে স্পেনের দূতাবাসে, অথবা স্পেনের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে স্পেন।

স্পেন ও শেনজেন অঞ্চল

স্পেনের দেওয়া শেনজেন ভিসায় জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; স্পেন যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন স্পেনের কাছেই করতে হয়।

জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের জন্য স্পেনের প্রতিবেশী দেশ

আন্ডোরা, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও মরক্কো যেতে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

স্পেনের নাগরিকদের জিম্বাবোয়ে ভ্রমণ

স্পেনের নাগরিকরা জিম্বাবোয়েতে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

স্পেনে যেতে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

স্পেনে যাওয়ার আগে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

জিম্বাবোয়েতে স্পেনের দূতাবাস কোথায়?

স্পেনের দূতাবাস হারারেতে।

জিম্বাবোয়েতে যেতে স্পেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

স্পেনের নাগরিকরা জিম্বাবোয়েতে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন?

না। জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের আগে থেকে স্পেনের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।