জিম্বাবোয়ে
লাওস
জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের জন্য লাওসের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
লাওসে যাওয়ার আগে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা লাওসের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী জিম্বাবোয়েতে লাওসের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে লাওসের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- লাও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, ভিয়েনা৭,৪৯৩ km
Sommerhaidenweg 43, 1180 Wien
- লাও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, ওয়ারশ৭,৮৪৮ km
Usypiskowa 8, 02-386 Warszawa
- লাও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, প্যারিস৭,৯৪৪ km
74, Avenue Raymond Poincaré, 75116 Paris
দূরত্বের হিসাবে হারারে থেকে লাওসের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া, ৭,৪৯৩ কিলোমিটার), ওয়ারশ (পোল্যান্ড, ৭,৮৪৮ কিলোমিটার) ও প্যারিস (ফ্রান্স, ৭,৯৪৪ কিলোমিটার) শহরে। জিম্বাবোয়ে থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে লাওস; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
লাওসের নাগরিকদের জিম্বাবোয়ে ভ্রমণ
লাওস
জিম্বাবোয়ে ই-ভিসা লাওসের নাগরিকদের জন্য জিম্বাবোয়ের ভিসা
লাওস ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
লাওসে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর লাওসকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২৭ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) লাওসের কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণের পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ১৩ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লাওসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৪ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা লাওসে কত দিন থাকতে পারেন
লাওসে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
জিম্বাবোয়েতে লাওসের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে লাওসের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে জিম্বাবোয়ে পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে লাওসের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের জন্য লাওসের প্রতিবেশী দেশ
চীন ও মিয়ানমার যেতে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
লাওসের নাগরিকদের জিম্বাবোয়ে ভ্রমণ
যাত্রার আগে লাওসের নাগরিকদের জিম্বাবোয়ের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
লাওসে যেতে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
লাওসে যাওয়ার আগে জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
জিম্বাবোয়েতে কি লাওসের দূতাবাস আছে?
না। জিম্বাবোয়েতে লাওসের কোনো দূতাবাস নেই। লাওসের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়, হারারে থেকে ৭,৪৯৩ কিলোমিটার দূরে।
জিম্বাবোয়েতে যেতে লাওসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে লাওসের নাগরিকদের জিম্বাবোয়ের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
জিম্বাবোয়ের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া লাওসে যেতে পারেন?
না। জিম্বাবোয়ের নাগরিকদের আগে থেকে লাওসের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।