ইয়েমেন
মিয়ানমার
ইয়েমেনের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে ইয়েমেনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
ইয়েমেনের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী ইয়েমেনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব২,০৮৯ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স৩,২২২ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
- মিয়ানমারের দূতাবাস, নয়াদিল্লি৩,৬৮৯ km
Nyaya Marg 3/50-F, 110021 New Delhi
দূরত্বের হিসাবে সানা থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো তেল আবিব (ইসরায়েল, ২,০৮৯ কিলোমিটার), এথেন্স (গ্রিস, ৩,২২২ কিলোমিটার) ও নয়াদিল্লি (ভারত, ৩,৬৮৯ কিলোমিটার) শহরে। ইয়েমেনের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের ইয়েমেন ভ্রমণ
মিয়ানমার
ইয়েমেন আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ইয়েমেনের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ইয়েমেন থেকে মিয়ানমারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
ইয়েমেনের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে ইয়েমেনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ইয়েমেনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
ইয়েমেনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই ইয়েমেনের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে ইয়েমেন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
ইয়েমেনের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন, বাংলাদেশ ও ভারত যেতে ইয়েমেনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের ইয়েমেন ভ্রমণ
ইয়েমেনে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। ইয়েমেন ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে ইয়েমেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে ইয়েমেনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
ইয়েমেনে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। ইয়েমেনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিবে, সানা থেকে ২,০৮৯ কিলোমিটার দূরে।
ইয়েমেনে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইয়েমেনে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
ইয়েমেনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। ইয়েমেনের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।