উজবেকিস্তানহাঙ্গেরি

উজবেকিস্তানের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

হাঙ্গেরি ভ্রমণে উজবেকিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

উজবেকিস্তানে হাঙ্গেরির মিশন

উজবেকিস্তানে হাঙ্গেরির একটি মিশন আছে; দূতাবাস তাসখন্দে।

হাঙ্গেরি: উজবেকিস্তানে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৫৪৭১,৪১২১৩৫৮.৩% ২৫.০%
২০২৪ ৩,৫৩৩২,৯৫৩৫৮০১৬.৪% ১৪.৩%
২০২৫ ৬,৩৯৮৪,৯৮০১,৩১৯২০.৭% ১৫.১%

২০২৫ সালে উজবেকিস্তানে হাঙ্গেরির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (তাসখন্দ) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৬,৩৯৮টি আবেদন পেয়েছে এবং ৪,৯৮০টি ভিসা দিয়েছে। ২০.৭% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ১৬.৪%, অর্থাৎ এটি ৪.২ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৮১% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৩,৫৩৩টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে উজবেকিস্তানে জমা পড়া আবেদনের ১৬.৩% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ইতালির কনস্যুলেটে ৪.৯% থেকে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৩২.৫% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটগুলো ১৩.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। উজবেকিস্তানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরি চতুর্থ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে উজবেকিস্তানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

হাঙ্গেরির নাগরিকদের উজবেকিস্তান ভ্রমণ

হাঙ্গেরিউজবেকিস্তান ভিসা লাগে না, ৩০ দিন হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য উজবেকিস্তানের ভিসা

হাঙ্গেরি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

উজবেকিস্তান থেকে হাঙ্গেরিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হাঙ্গেরিকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাঙ্গেরির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

উজবেকিস্তানের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন

হাঙ্গেরিতে উজবেকিস্তানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

উজবেকিস্তানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

উজবেকিস্তানে আবেদন করা যায় তাসখন্দে হাঙ্গেরির দূতাবাসে, অথবা হাঙ্গেরির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে হাঙ্গেরি।

হাঙ্গেরি ও শেনজেন অঞ্চল

হাঙ্গেরির দেওয়া শেনজেন ভিসায় উজবেকিস্তানের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; হাঙ্গেরি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন হাঙ্গেরির কাছেই করতে হয়।

উজবেকিস্তানের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির প্রতিবেশী দেশ

ইউক্রেন যেতে উজবেকিস্তানের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও সার্বিয়া যেতে উজবেকিস্তানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

হাঙ্গেরির নাগরিকদের উজবেকিস্তান ভ্রমণ

উজবেকিস্তানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

হাঙ্গেরিতে যেতে উজবেকিস্তানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

হাঙ্গেরি ভ্রমণে উজবেকিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

উজবেকিস্তানে হাঙ্গেরির দূতাবাস কোথায়?

হাঙ্গেরির দূতাবাস তাসখন্দে।

উজবেকিস্তানে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

উজবেকিস্তানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

উজবেকিস্তানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন?

না। উজবেকিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে হাঙ্গেরির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।