যুক্তরাজ্যহাঙ্গেরি

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ভিসা লাগে না সর্বোচ্চ ৯০ দিন

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের হাঙ্গেরির ভিসা লাগে না।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · london.mfa.gov.hu-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

হাঙ্গেরি: যুক্তরাজ্যে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২,৮৭২২,৫২১৩৫১১২.২% ৫৫.১%
২০২৪ ৩,১০০২,৬৬৮৪৩২১৩.৯% ৫১.৮%
২০২৫ ৩,২০১২,৮৫০৩১৬১০.০% ৫৩.৪%

২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যে হাঙ্গেরির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (লন্ডন) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩,২০১টি আবেদন পেয়েছে এবং ২,৮৫০টি ভিসা দিয়েছে। ১০.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ১৩.৯%, অর্থাৎ এটি ৪.০ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৩% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৩,১০০টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে যুক্তরাজ্যে জমা পড়া আবেদনের ১০.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ১.০% থেকে আইসল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৩২.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটগুলো ১৩.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। যুক্তরাজ্যে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরি ১৮তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে যুক্তরাজ্যে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

হাঙ্গেরির নাগরিকদের যুক্তরাজ্য ভ্রমণ

হাঙ্গেরিযুক্তরাজ্য ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য যুক্তরাজ্যের ভিসা

হাঙ্গেরি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

যুক্তরাজ্য থেকে হাঙ্গেরিতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হাঙ্গেরিকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাঙ্গেরির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। হাঙ্গেরিতে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।

হাঙ্গেরি ও শেনজেন অঞ্চল

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরি ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির প্রতিবেশী দেশ

স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও সার্বিয়া যেতে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

হাঙ্গেরির নাগরিকদের যুক্তরাজ্য ভ্রমণ

যুক্তরাজ্যে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

হাঙ্গেরিতে যেতে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের হাঙ্গেরির ভিসা লাগে না।

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন?

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।

যুক্তরাজ্যে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাজ্যে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন?

হ্যাঁ, যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।