যুক্তরাজ্যজার্মানি

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ভিসা লাগে না সর্বোচ্চ ৯০ দিন

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জার্মানির ভিসা লাগে না।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · uk.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

জার্মানি: যুক্তরাজ্যে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২৬,৬৫৭২৫,০৭৭১,৪৬৮৫.৫% ৯৩.৬%
২০২৪ ৩০,১৬৯২৮,৪৫২১,৩৭১৪.৬% ৮২.৭%
২০২৫ ৩২,৭২৫৩১,২৫১১,০৩৮৩.২% ৭৬.৪%

২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (লন্ডন ও এডিনবরা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩২,৭২৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩১,২৫১টি ভিসা দিয়েছে। ৩.২% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৪.৬%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৮% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৩০,১৬৯টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে যুক্তরাজ্যে জমা পড়া আবেদনের ১০.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ১.০% থেকে আইসল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৩২.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। যুক্তরাজ্যে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি চতুর্থ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে যুক্তরাজ্যে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের যুক্তরাজ্য ভ্রমণ

জার্মানিযুক্তরাজ্য ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) জার্মানির নাগরিকদের জন্য যুক্তরাজ্যের ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

জার্মানিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা জার্মানিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। জার্মানিতে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ভিসা ছাড়া জার্মানি ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

জার্মানির নাগরিকদের যুক্তরাজ্য ভ্রমণ

যুক্তরাজ্যে যেতে জার্মানির নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জার্মানির ভিসা লাগে না।

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন?

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা জার্মানিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।

যুক্তরাজ্যে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাজ্যে যেতে জার্মানির নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

হ্যাঁ, যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।