যুক্তরাজ্যফ্রান্স

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ভিসা লাগে না সর্বোচ্চ ৯০ দিন

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ফ্রান্সের ভিসা লাগে না।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · ambafrance-uk.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

ফ্রান্স: যুক্তরাজ্যে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৩০,১৮১১,২৩,৮৮০৭,৩৭২৫.৬% ১৫.১%
২০২৪ ১,৩২,৪৬৯১,২৪,৫১৬৭,৯৪৬৬.০% ৫.৮%
২০২৫ ১,২৯,৯৪০১,১৮,৫৫২১০,৯৯৪৮.৫% ১৯.৬%

২০২৫ সালে যুক্তরাজ্যে ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (লন্ডন) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,২৯,৯৪০টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,১৮,৫৫২টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৮.৫%। ২০২৪ সালের ৬.০%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ২.৫ পয়েন্ট বেড়েছে। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ১,৩২,৪৬৯টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে যুক্তরাজ্যে জমা পড়া আবেদনের ১০.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ১.০% থেকে আইসল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৩২.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। যুক্তরাজ্যে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে যুক্তরাজ্যে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ফ্রান্সের নাগরিকদের যুক্তরাজ্য ভ্রমণ

ফ্রান্সযুক্তরাজ্য ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাজ্যের ভিসা

ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩ নভেম্বর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ফ্রান্সে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। ফ্রান্সে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।

ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ভিসা ছাড়া ফ্রান্স ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।

যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

ফ্রান্সের নাগরিকদের যুক্তরাজ্য ভ্রমণ

যুক্তরাজ্যে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ফ্রান্সে যেতে যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ফ্রান্সের ভিসা লাগে না।

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন?

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ফ্রান্সে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।

যুক্তরাজ্যে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যুক্তরাজ্যে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?

হ্যাঁ, যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।