সংযুক্ত আরব আমিরাত
মিয়ানমার
সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী সংযুক্ত আরব আমিরাতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব২,০৯৭ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের দূতাবাস, নয়াদিল্লি২,৩১০ km
Nyaya Marg 3/50-F, 110021 New Delhi
-
৩,১০০ km
দূরত্বের হিসাবে আবুধাবি থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো তেল আবিব (ইসরায়েল, ২,০৯৭ কিলোমিটার), নয়াদিল্লি (ভারত, ২,৩১০ কিলোমিটার) ও কাঠমান্ডু (নেপাল, ৩,১০০ কিলোমিটার) শহরে। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে মিয়ানমার; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের সংযুক্ত আরব আমিরাত ভ্রমণ
মিয়ানমার
সংযুক্ত আরব আমিরাত ই-ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
সংযুক্ত আরব আমিরাতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে সংযুক্ত আরব আমিরাত পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন ও থাইল্যান্ড যেতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
মিয়ানমারের নাগরিকদের সংযুক্ত আরব আমিরাত ভ্রমণ
যাত্রার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের সংযুক্ত আরব আমিরাতের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। সংযুক্ত আরব আমিরাতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিবে, আবুধাবি থেকে ২,০৯৭ কিলোমিটার দূরে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের সংযুক্ত আরব আমিরাতের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।