উগান্ডা
ফ্রান্স
উগান্ডার নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ফ্রান্সে যাওয়ার আগে উগান্ডার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · ug.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
উগান্ডায় ফ্রান্সের মিশন
উগান্ডায় ফ্রান্সের একটি মিশন আছে; দূতাবাস কাম্পালায়।
ফ্রান্স: উগান্ডায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৫,০৫৪ | ৩,৮৭৫ | ১,০৮৩ | ২১.৮% | ১৪.৭% |
| ২০২৪ | ৫,২৬৪ | ৩,৬৩১ | ১,৪১১ | ২৮.০% | ১৩.৮% |
| ২০২৫ | ৫,৯৪৫ | ৩,৮৯২ | ১,৮৯৬ | ৩২.৭% | ১৩.২% |
২০২৫ সালে উগান্ডায় ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কাম্পালা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫,৯৪৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩,৮৯২টি ভিসা দিয়েছে। ৩২.৭% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ২৮.০%, অর্থাৎ এটি ৪.৮ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৩% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৫,২৬৪টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে উগান্ডায় জমা পড়া আবেদনের ৩৬.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ইতালির কনস্যুলেটে ১৫.১% থেকে নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ৫৯.০% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। উগান্ডায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে উগান্ডায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ফ্রান্সের নাগরিকদের উগান্ডা ভ্রমণ
ফ্রান্স
উগান্ডা ই-ভিসা ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য উগান্ডার ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
উগান্ডা থেকে ফ্রান্সে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
উগান্ডার নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
ফ্রান্সে উগান্ডার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
উগান্ডার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
উগান্ডায় আবেদন করা যায় কাম্পালায় ফ্রান্সের দূতাবাসে, অথবা ফ্রান্সের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফ্রান্স।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় উগান্ডার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।
উগান্ডার নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে উগান্ডার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ফ্রান্সের নাগরিকদের উগান্ডা ভ্রমণ
উগান্ডায় যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে উগান্ডার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্সে যাওয়ার আগে উগান্ডার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
উগান্ডায় ফ্রান্সের দূতাবাস কোথায়?
ফ্রান্সের দূতাবাস কাম্পালায়।
উগান্ডায় যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
উগান্ডায় যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।
উগান্ডার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
না। উগান্ডার নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।