তিউনিসিয়াগ্রিস

তিউনিসিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

তিউনিসিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

তিউনিসিয়ায় গ্রিসের মিশন

তিউনিসিয়ায় গ্রিসের একটি মিশন আছে; দূতাবাস তিউনিসে।

গ্রিস: তিউনিসিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২,৭৭৫১,১৭২১,৫৬৪৫৭.১% ৪৩.৯%
২০২৪ ২,১০৫১,১৩২৯৫০৪৫.৬% ২৫.৯%
২০২৫ ১,৭৮৫১,১৭১৬০১৩৩.৯% ১৯.৬%

২০২৫ সালে তিউনিসিয়ায় গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (তিউনিস) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৭৮৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,১৭১টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩৩.৯%। ২০২৪ সালের ৪৫.৬%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১১.৭ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৫% কমেছে (২০২৪ সালে ২,১০৫টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে তিউনিসিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১৯.৬% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ফ্রান্সের কনস্যুলেটে ১৫.৪% থেকে চেক প্রজাতন্ত্রের কনস্যুলেটে ৪৬.৩% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। তিউনিসিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস দশম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে তিউনিসিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

গ্রিসের নাগরিকদের তিউনিসিয়া ভ্রমণ

গ্রিসতিউনিসিয়া ভিসা লাগে না, ৩০ দিন গ্রিসের নাগরিকদের জন্য তিউনিসিয়ার ভিসা

গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

তিউনিসিয়া থেকে গ্রিসে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

তিউনিসিয়ার নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন

গ্রিসে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

তিউনিসিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

তিউনিসিয়ায় আবেদন করা যায় তিউনিসে গ্রিসের দূতাবাসে, অথবা গ্রিসের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে গ্রিস।

গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল

গ্রিসের দেওয়া শেনজেন ভিসায় তিউনিসিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; গ্রিস যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন গ্রিসের কাছেই করতে হয়।

তিউনিসিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ

তুরস্ক যেতে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না। উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ও বুলগেরিয়া যেতে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

গ্রিসের নাগরিকদের তিউনিসিয়া ভ্রমণ

তিউনিসিয়ায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে গ্রিসের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্রিসে যেতে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

তিউনিসিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

তিউনিসিয়ায় গ্রিসের দূতাবাস কোথায়?

গ্রিসের দূতাবাস তিউনিসে।

তিউনিসিয়ায় যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

তিউনিসিয়ায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে গ্রিসের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

তিউনিসিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?

না। তিউনিসিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে গ্রিসের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।