তিউনিসিয়াজার্মানি

তিউনিসিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

জার্মানি ভ্রমণে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · tunis.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

তিউনিসিয়ায় জার্মানির মিশন

  • ফেডারেল প্রজাতন্ত্রী জার্মানির দূতাবাস, তিউনিস

    দূতাবাস · তিউনিস

    زنقة بحيرة وندارمير 1, 1053 تونس

    আজ ০৮:০০–১০:০০

তিউনিসিয়ায় জার্মানির একটি মিশন আছে; দূতাবাস তিউনিসে।

জার্মানি: তিউনিসিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১৭,৫৯০১৫,০১১২,৫১২১৪.৩% ৯৮.৯%
২০২৪ ২০,১৯২১৬,৯৫৮৩,১৩৭১৫.৬% ৯৯.৭%
২০২৫ ১৯,২৪২১৫,৯৯৭৩,০৮৬১৬.১% ৯৮.৬%

২০২৫ সালে তিউনিসিয়ায় জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (তিউনিস) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৯,২৪২টি আবেদন পেয়েছে এবং ১৫,৯৯৭টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১৬.১%। হারটি ২০২৪ সালের (১৫.৬%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৫% কমেছে (২০২৪ সালে ২০,১৯২টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে তিউনিসিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১৯.৬% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ফ্রান্সের কনস্যুলেটে ১৫.৪% থেকে চেক প্রজাতন্ত্রের কনস্যুলেটে ৪৬.৩% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। তিউনিসিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে তিউনিসিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের তিউনিসিয়া ভ্রমণ

জার্মানিতিউনিসিয়া ভিসা লাগে না, ১২০ দিন জার্মানির নাগরিকদের জন্য তিউনিসিয়ার ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

তিউনিসিয়া থেকে জার্মানিতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

তিউনিসিয়ার নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

জার্মানিতে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

তিউনিসিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

তিউনিসিয়ায় আবেদন করা যায় তিউনিসে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় তিউনিসিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।

তিউনিসিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জার্মানির নাগরিকদের তিউনিসিয়া ভ্রমণ

তিউনিসিয়ায় যেতে জার্মানির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ১২০ দিনের বেশি না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানি ভ্রমণে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

তিউনিসিয়ায় জার্মানির দূতাবাস কোথায়?

জার্মানির দূতাবাস তিউনিসে।

তিউনিসিয়ায় যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

তিউনিসিয়ায় যেতে জার্মানির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ১২০ দিনের বেশি না হয়।

তিউনিসিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

না। তিউনিসিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।