ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
জার্মানি
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
জার্মানিতে যেতে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · port-of-spain.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
জার্মানি: ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১৫৪ | ১৪৫ | ৮ | ৫.২% | ৫৭.২% |
| ২০২৪ | ১৭৬ | ১৬১ | ৯ | ৫.২% | ৬৭.১% |
| ২০২৫ | ১৭৪ | ১৫৪ | ১৭ | ৯.৯% | ৭০.৮% |
২০২৫ সালে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (পোর্ট অব স্পেন) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৭৪টি আবেদন পেয়েছে এবং ১৫৪টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৯.৯%। ২০২৪ সালের ৫.২%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৪.৮ পয়েন্ট বেড়েছে। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ১৭৬টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে জমা পড়া আবেদনের ৫.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
জার্মানির নাগরিকদের ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ভ্রমণ
জার্মানি
ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ভিসা লাগে না, ৯০ দিন জার্মানির নাগরিকদের জন্য ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর ভিসা
জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ত্রিনিদাদ ও টোবাগো থেকে জার্মানিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকরা জার্মানিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। জার্মানিতে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকদের ভিসা ছাড়া জার্মানি ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
জার্মানির নাগরিকদের ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ভ্রমণ
জার্মানির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ও জার্মানির মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
জার্মানিতে যেতে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানিতে যেতে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন?
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকরা জার্মানিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।