পূর্ব তিমুর
মিয়ানমার
পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমার ভ্রমণে পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
পূর্ব তিমুরের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী পূর্ব তিমুরে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, বন্দর সেরি বেগাওয়ান১,৯১০ km
Simpang 212 14, Bandar Seri Begawan
- মিয়ানমারের দূতাবাস, জাকার্তা২,০৮৪ km
Jalan Haji Agus Salim 109, DKI Jakarta
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ম্যানিলা২,৬১৯ km
Amorsolo Street 152, Makati
দূরত্বের হিসাবে দিলি থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো বন্দর সেরি বেগাওয়ান (ব্রুনেই, ১,৯১০ কিলোমিটার), জাকার্তা (ইন্দোনেশিয়া, ২,০৮৪ কিলোমিটার) ও ম্যানিলা (ফিলিপাইন, ২,৬১৯ কিলোমিটার) শহরে। পূর্ব তিমুরের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের পূর্ব তিমুর ভ্রমণ
মিয়ানমার
পূর্ব তিমুর অন-অ্যারাইভাল ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য পূর্ব তিমুরের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিয়ানমারে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
পূর্ব তিমুরের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
পূর্ব তিমুরের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
পূর্ব তিমুরে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে পূর্ব তিমুর পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
থাইল্যান্ড যেতে পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। চীন যেতে পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের পূর্ব তিমুর ভ্রমণ
মিয়ানমারের নাগরিকরা পূর্ব তিমুরে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
পূর্ব তিমুরে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। পূর্ব তিমুরে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ব্রুনেইয়ের বন্দর সেরি বেগাওয়ানে, দিলি থেকে ১,৯১০ কিলোমিটার দূরে।
পূর্ব তিমুরে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকরা পূর্ব তিমুরে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
পূর্ব তিমুরের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। পূর্ব তিমুরের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।