থাইল্যান্ডস্পেন

থাইল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য স্পেনের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · exteriores.gob.es-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

থাইল্যান্ডে স্পেনের মিশন

থাইল্যান্ডে স্পেনের একটি মিশন আছে; দূতাবাস ব্যাংককে।

স্পেন: থাইল্যান্ডে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১১,২০৩১০,৬৪৭৪৩৮৩.৯% ১৭.৪%
২০২৪ ১২,৮৬৩১২,১২৬৪৯০৩.৯% ১৭.৫%
২০২৫ ১৫,৩০৭১৪,৭৭৮৪৫৩৩.০% ৭.৯%

২০২৫ সালে থাইল্যান্ডে স্পেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ব্যাংকক) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৫,৩০৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ১৪,৭৭৮টি ভিসা দিয়েছে। ৩.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৩.৯%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৯% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১২,৮৬৩টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে থাইল্যান্ডে জমা পড়া আবেদনের ৫.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ২.০% থেকে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটে ২৮.৭% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে স্পেনের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। থাইল্যান্ডে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে স্পেন সপ্তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে থাইল্যান্ডে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

স্পেনের নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণ

স্পেনথাইল্যান্ড ভিসা লাগে না, ৬০ দিন স্পেনের নাগরিকদের জন্য থাইল্যান্ডের ভিসা

স্পেন ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

থাইল্যান্ড থেকে স্পেনে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩১ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্পেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২ নভেম্বর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন

স্পেনে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

থাইল্যান্ডে আবেদন করা যায় ব্যাংককে স্পেনের দূতাবাসে, অথবা স্পেনের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে স্পেন।

স্পেন ও শেনজেন অঞ্চল

স্পেনের দেওয়া শেনজেন ভিসায় থাইল্যান্ডের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; স্পেন যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন স্পেনের কাছেই করতে হয়।

থাইল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য স্পেনের প্রতিবেশী দেশ

আন্ডোরা, পর্তুগাল ও ফ্রান্স যেতে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

স্পেনের নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণ

স্পেনের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই থাইল্যান্ডে যেতে এবং সেখানে ৬০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

স্পেনে যেতে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

থাইল্যান্ডে স্পেনের দূতাবাস কোথায়?

স্পেনের দূতাবাস ব্যাংককে।

থাইল্যান্ডে যেতে স্পেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

স্পেনের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই থাইল্যান্ডে যেতে এবং সেখানে ৬০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন?

না। থাইল্যান্ডের নাগরিকদের আগে থেকে স্পেনের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।