থাইল্যান্ডজার্মানি

থাইল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
৪টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · bangkok.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

থাইল্যান্ডে জার্মানির মিশন

থাইল্যান্ডে জার্মানির সব মিশন

থাইল্যান্ডে জার্মানির ৪টি মিশন আছে; দূতাবাস ব্যাংককে। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: ফুকেট, চিয়াং মাই ও পাতায়া।

জার্মানি: থাইল্যান্ডে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৪০,৮৭৭৩৭,৫৯০৩,১৪৪৭.৭% ১০০.০%
২০২৪ ৩৯,৪৯৭৩৭,২১৮২,১২৫৫.৪% ১০০.০%
২০২৫ ৩৫,২৭০৩৩,৮১৭১,২৯১৩.৭% ১০০.০%

২০২৫ সালে থাইল্যান্ডে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ব্যাংকক) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩৫,২৭০টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩৩,৮১৭টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩.৭%। ২০২৪ সালের ৫.৪%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১.৭ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১১% কমেছে (২০২৪ সালে ৩৯,৪৯৭টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে থাইল্যান্ডে জমা পড়া আবেদনের ৫.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ২.০% থেকে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটে ২৮.৭% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। থাইল্যান্ডে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি তৃতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে থাইল্যান্ডে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণ

জার্মানিথাইল্যান্ড ভিসা লাগে না, ৬০ দিন জার্মানির নাগরিকদের জন্য থাইল্যান্ডের ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

থাইল্যান্ড থেকে জার্মানিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

জার্মানিতে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

থাইল্যান্ডে আবেদন করা যায় ব্যাংককে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় থাইল্যান্ডের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।

থাইল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জার্মানির নাগরিকদের থাইল্যান্ড ভ্রমণ

থাইল্যান্ডে যেতে জার্মানির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৬০ দিনের বেশি না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে থাইল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

থাইল্যান্ডে জার্মানির দূতাবাস কোথায়?

জার্মানির দূতাবাস ব্যাংককে।

থাইল্যান্ডে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

থাইল্যান্ডে যেতে জার্মানির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৬০ দিনের বেশি না হয়।

থাইল্যান্ডের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

না। থাইল্যান্ডের নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।