তাঞ্জানিয়ানাইজার

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য নাইজারের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

নাইজার ভ্রমণে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা নাইজারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী তাঞ্জানিয়ায় নাইজারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে নাইজারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

দূরত্বের হিসাবে Dodoma থেকে নাইজারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো জুবা (দক্ষিণ সুদান, ১,৩১১ কিলোমিটার), প্রিটোরিয়া (দক্ষিণ আফ্রিকা, ২,৩১৮ কিলোমিটার) ও আবুজা (নাইজেরিয়া, ৩,৫৬০ কিলোমিটার) শহরে। তাঞ্জানিয়ার বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে নাইজার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

নাইজারের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণ

নাইজারতাঞ্জানিয়া ই-ভিসা নাইজারের নাগরিকদের জন্য তাঞ্জানিয়ার ভিসা

নাইজার ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পুরো দেশে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

তাঞ্জানিয়া থেকে নাইজারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর নাইজারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৮ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) নাইজারে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো নাইজারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা নাইজারে কত দিন থাকতে পারেন

নাইজারে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

তাঞ্জানিয়ায় নাইজারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে নাইজারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে তাঞ্জানিয়া পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে নাইজারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য নাইজারের প্রতিবেশী দেশ

বেনিন যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না। আলজেরিয়া ও মালি যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

নাইজারের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণ

নাইজারের নাগরিকদের জন্য তাঞ্জানিয়ার ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

নাইজারে যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

নাইজার ভ্রমণে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

তাঞ্জানিয়ায় কি নাইজারের দূতাবাস আছে?

না। তাঞ্জানিয়ায় নাইজারের কোনো দূতাবাস নেই। নাইজারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস দক্ষিণ সুদানের জুবায়, Dodoma থেকে ১,৩১১ কিলোমিটার দূরে।

তাঞ্জানিয়ায় যেতে নাইজারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

নাইজারের নাগরিকদের জন্য তাঞ্জানিয়ার ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া নাইজারে যেতে পারেন?

না। তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে নাইজারের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।