তাঞ্জানিয়া
মিয়ানমার
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী তাঞ্জানিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, প্রিটোরিয়া২,৩২১ km
Julius Jeppe Street 329, Pretoria
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব৪,২৫৩ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স৫,০৬২ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
Dodoma-এর সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো প্রিটোরিয়া (দক্ষিণ আফ্রিকা, ২,৩২১ কিলোমিটার), তেল আবিব (ইসরায়েল, ৪,২৫৩ কিলোমিটার) ও এথেন্স (গ্রিস, ৫,০৬২ কিলোমিটার) শহরে। তাঞ্জানিয়ার বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণ
মিয়ানমার
তাঞ্জানিয়া অন-অ্যারাইভাল ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য তাঞ্জানিয়ার ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিয়ানমারে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
তাঞ্জানিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে তাঞ্জানিয়া পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
বাংলাদেশ যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না। চীন যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণ
তাঞ্জানিয়ায় পৌঁছানোর পর মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
তাঞ্জানিয়ায় কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। তাঞ্জানিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায়, Dodoma থেকে ২,৩২১ কিলোমিটার দূরে।
তাঞ্জানিয়ায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
তাঞ্জানিয়ায় পৌঁছানোর পর মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।