তাঞ্জানিয়াইতালি

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য ইতালির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

ইতালিতে যাওয়ার আগে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
২টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · ambdaressalaam.esteri.it-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

তাঞ্জানিয়ায় ইতালির মিশন

তাঞ্জানিয়ায় ইতালির সব মিশন

তাঞ্জানিয়ায় ইতালির ২টি মিশন আছে; দূতাবাস দার এস সালামে। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: জাঞ্জিবার।

ইতালি: তাঞ্জানিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৪৬২১,২৯৩১৬৯১১.৬% ৩২.২%
২০২৪ ১,২৯০১,১১৭১৭২১৩.৩% ৩৬.৯%
২০২৫ ১,৯৮৬১,৮৮৩১০৩৫.২% ৫০.৯%

২০২৫ সালে তাঞ্জানিয়ায় ইতালির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (দার এস সালাম) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৯৮৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৮৮৩টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৫.২%। ২০২৪ সালের ১৩.৩%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৮.১ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৫৪% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১,২৯০টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে তাঞ্জানিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১৯.৩% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে ইতালির কনস্যুলেটগুলো ১০.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। তাঞ্জানিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ইতালি চতুর্থ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে তাঞ্জানিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ইতালির নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণ

ইতালিতাঞ্জানিয়া অন-অ্যারাইভাল ভিসা ইতালির নাগরিকদের জন্য তাঞ্জানিয়ার ভিসা

ইতালি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

তাঞ্জানিয়া থেকে ইতালিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতালিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইতালির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩ নভেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতালির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা ইতালিতে কত দিন থাকতে পারেন

ইতালিতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

তাঞ্জানিয়ায় আবেদন করা যায় দার এস সালামে ইতালির দূতাবাসে, অথবা ইতালির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ইতালি।

ইতালি ও শেনজেন অঞ্চল

ইতালির দেওয়া শেনজেন ভিসায় তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ইতালি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ইতালির কাছেই করতে হয়।

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য ইতালির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান, স্লোভেনিয়া, সান মারিনো, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ইতালির নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণ

ইতালির নাগরিকরা তাঞ্জানিয়ায় পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ইতালিতে যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ইতালিতে যাওয়ার আগে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

তাঞ্জানিয়ায় ইতালির দূতাবাস কোথায়?

ইতালির দূতাবাস দার এস সালামে।

তাঞ্জানিয়ায় যেতে ইতালির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ইতালির নাগরিকরা তাঞ্জানিয়ায় পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন।

তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন?

না। তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ইতালির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।